পাসপোর্ট করার জন্য কত বছর বয়স লাগে

প্রিয় বন্ধুরা' আজকে আমরা জানবো পাসপোর্ট সম্পর্কে। যেটি আমাদের বেশির ভাগ মানুষজনেরই প্রয়োজন হয়ে থাকে। পাসপোর্ট করার জন্য কত বছর বয়স লাগে এবং পাসপোর্ট করতে কত খরচ হয় পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজ পাতির প্রয়োজন হয়। 

এছাড়া ও পাসপোর্টে এর মেয়াদ কত দিন থাকে কিভাবে করবেন এই সম্পর্কে আজকের পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব। এ পোস্ট শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনারা পাসপোর্ট সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারবেন। যা আপনাদের কাজে আসতে পারে। তবে চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক আজকের পোস্টের মধ্যে।

.

২০২৪ সালের পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী 

২০২৪ সালে ই পাসপোর্ট করার নিয়মাবলি সম্পর্কে যারা জানেন না বা যদি জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কোন আবেদনকারীর যদি বয়স ১৮ নিচে হয়ে থাকে তাহলে ডিজিটাল বন্ধন সনদ দিয়ে। আর কোন ব্যক্তির যদি ১৮ উপরে বয়স হয় তাহলে এনআইডি দিয়ে করতে হবে। 
অনলাইনে প্রথমে আপনাকে পোটালে এর মাধ্যমে আবেদন করা লাগবে। বর্তমান এই ২০২৪ সালে ৫ বছর বয়স এবং ১০ বছর বয়সে জন্য ই পাসপোর্ট  প্রদান করা হয়ে থাকে। ই পাসপোর্ট করতে হলে আপনাকে  কি কি  কাগজ পাতি লাগতে পারে বা পাসপোর্ট করার জন্য কত বছর বয়স লাগতে পারে এবং পাসপোর্টে আরো বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে বিস্তারিত নিচে পরতে থাকুন।

ই পাসপোর্ট করার জন্য কি কি কাগজ প্রাতি প্রয়োজনীয় 

ই পাসপোর্ট করার জন্য কি কি কাগজ পাতির প্রয়োজন হয় এটা অনেকেই জানেন না। যারা ই পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ পাতি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাদের বলব ই পাসপোর্ট করার জন্য অনেক কাগজ পাতির প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমরা পাসপোর্ট করার জন্য অনেকের কাছেই যেয়ে থাকি পাসপোর্ট সম্পর্কে জানার জন্য। 

কিন্তু আজকের এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনাকে আর কোথাও যেতে হবে না কারণ এই আর্টিকেলে সমস্ত বিষয় বস্তুসহ আলোচনা করা হবে। তবে চলন জেনে নেওয়া যাক ই পাসপোর্ট করার জন্য কি কি কাগজ পাতি প্রয়োজনীয় হয়ে থাকে বা আরো জানতে পারবেন পাসপোর্ট করার জন্য কত বছর বয়স লাগে।  

প্রথমত যে ব্যাক্তি ই পাসপোর্ট করা জন্য আবেদন করবে তার জন্ম নিবন্ধন অথবা এন আই ডি কার্ড প্রয়োজন হবে। পিতা এবং মাতার এন আইডি কার্ডের ফটোকপি জমা দিতে হবে। আবেদনকারী কোন পেশা করে থাকে তা প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। বাড়ির ইলেকট্রনিক বিলের কাগজ জমা দিতে হবে পুলিশের কাছে। ভেরিফিকেশন করার জন্য। 

আগে থেকে যদি কোন পাসপোর্ট করা থাকে তাহলে তার একটা ফটোকপি বের করে জমা দিতে হবে। ফ্রি পাসপোর্ট হলে পাঁচ বছরের জন্য মেয়াদ হয়ে থাকে। ই পাসপোর্ট হলে কাগজের মেয়াদের উপর বছর নির্ধারিত হয়ে থাকে। 

পাসপোর্ট করতে ৫ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে খরচ হয়ে থাকে। ৫ হাজারের ৭০০০ ও লাগতে পারে আবার দশ হাজার ও লাগতে পারে। তবে এগুলো নির্ভর করে পাঁচপোর্ট  করার উপর। এগুলো ফ্রম জমা দেওয়ার জন্য আপনি পাসপোর্ট অনলাইন ফ্রমে জমা দিতে পারবেন। 

পাসপোর্ট ফর্ম জমা দেওয়ার সময় যেগুলো ভুল করা যাবে না 

পাসপোর্ট করার জন্য যখন আপনার নাম লিখবেন তখন কোন দাড়ি কমা বা কোন স্পেস ব্যবহার করবেন না। বিশেষ করে আমরা এমডির পর বা মিস এর পর যে ডট গুলো দিয়ে থাকি। এক কথায় নামের মধ্যে কোন ডট রাখা যাবে না এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে ফ্রম জমা দেওয়ার সময়। যদি জেনে শুনে এই ডট গুলো দেন তাহলে কিন্তু পরবর্তীতে অনেক একটা ঝামেলায় পড়তে পারেন। 

আরো বিশেষ যেই কথাটা আমাদের মনে রাখতে হবে পাসপোর্ট করার সময়। সেটি হচ্ছে পাসপোর্ট ফরম জমা দেওয়ার সময় এমন কোন তথ্য ভুল ভাল দেওয়া যাবে না যেগুলো সঠিক না বা সেগুলোর কোন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। পাসপোর্ট এর মধ্যে যেই তথ্যই দেওয়া হোক না কেন সেগুলোর পরবর্তীতে জানতে চাওয়া হয়ে থাকে। 

সেক্ষেত্রে এখন বুঝতেই পারছেন কিসের জন্য আমি প্রথমে এই দুইটি কথা বললাম। আমরা যে কাজে বা যে পেশায় নিয়োজিত আমরা সেই তথ্যই দিব আমরা যদি স্টুডেন্ট হই তাহলে স্টুডেন্টদেরই কাগজ পাতি জমা দিব আবার যদি ব্যবসায়িক হয়ে থাকি তাহলে ব্যবসায়ীরিক সব তথ্য বা ডকুমেন্ট জমা দিব। কারণ পরবর্তীতে সেই তথ্যগুলো আমাদের কাছে  চাইতে পারে। 

তাছাড়া ও যদি কেউ কৃষক হয়ে থাকেন তাহলে জমির খাজনার যে কাগজ পাতি থেকে থাকে সেগুলোরই খাজনা রসিক রশি চাইবে। তবে সেগুলো কিন্তু আপনার নামেই হতে হবে। আপনি যদি বলে থাকেন আপনি বিবাহিত তাহলে বৈবাহিক জীবনের বিয়ের কাগজটি জমা দিতে হবে। যেই তথ্যগুলো আপনার কাছে নেই সেই তথ্যগুলো আপনি কখনোই দিবেন না। চেষ্টা করবেন পাসপোর্ট অফিসে সকাল সকালই যাওয়ার।

ই পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে ফর্ম জমা দিবেন যেখানে 

আপনি যদি google ক্রমে E passport bd লিখে সার্চ দেন তাহলে প্রথমেই একটি জমা দেওয়ার জন্য  e passport online registration portal নামে একটি ওয়েবসাইট আসবে সেখানে আপনি পাসপোর্ট জমা দেয়ার জন্য সব কিছু ফ্রম পেয়ে যাবেন। 

এ ওয়েবসাইটে যাওয়ার পর আপনি পাসপোর্ট সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ অনেক কিছু জানতে পারবেন। পাসপোর্ট ফ্রমে স্টেপ বাই স্টেপ কিভাবে সবকিছু জমা দিবে আলোচনা করব এছাড়া ও পাসপোর্ট করার জন্য কত বছর বয়স লাগে বিস্তারিত জানতে করতে থাকুন। 

পাসপোর্ট ফরম সম্পর্কে আরো বিষয়বস্তু  

পাসপোর্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে google ক্রমে যায় ই পাসপোর্ট বিডি লিখে যেই ওয়েবসাইট টা শুরুতেই আসবে আমার দেখানোর নাম অনুযায়ী। ওইটাতে প্রবেশ করতে হবে। এরপর অ্যাপ্লাই অনলাইন পাসপোর্ট রেজিস্ট্রেশন  নামে অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। 

আপনি যদি ই পাসপোর্ট করতে চান তাহলে অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন আবার ব্যাংক একাউন্টে ও পেমেন্ট করতে পারবেন। তাছাড়াও বিকাশ নগদ যেকোনো টাতে অনলাইনে ফ্রি পরিশোধ করতে পারবেন। এপ্লাই অনলাইনে ক্লিক করলেই আপনি দেখতে পারবেন অনেক লিঙ্ক যুক্ত করে দেওয়া আছে পেমেন্ট করার জন্য। 

ই পাসপোর্টে তিন রকম ভাবে ডেলিভারি থেকে থাকে যেমন রেগুলার ডেলিভারি, এক্সপ্রেস ডেলিভারি, সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি। রেগুলার ডেলিভারি হচ্ছে যদি নেন তাহলে ২১ দিন লাগবে। যদি এক্সপ্রেস ডেলিভারি নেন তাহলে ১০ দিন সময় লাগবে। 

তবে এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে অনেক খরচ পরতে পারে। এছাড়া ও যদি সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি নেন তাহলে আপনি ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন। তবে এটাতে আরো বেশি পরিমাণ খরচ হবে। এটা হল আপনার ডেলিভারি ডেট। এখন কথা হচ্ছে পাসপোর্ট করতে কত বছর খরচ হতে পারে। 

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ হবে 
  • আপনি যদি রেগুলার ডেলিভারির নিয়ে থাকেন তাহলে ৪০২৫ টাকা খরচ পড়বে। 
  • যদি এক্সপ্রেস ডেলিভারি নেন তাহলে ৬৩২৫ টাকা খরচ পড়বে।
  • যদি সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি নেন তাহলে ৮৬২৫ টাকা খরচ পড়বে পাসপোর্ট করতে। 
৪৮ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্ট যদি ১০ বছরের জন্য করে নেন তাহলে খরচ পড়বে 
  • রেগুলার ডেলিভারির পড়বে ৫৭৫০ টাকা। 
  • এক্সপ্রেস ডেলিভারি ৮০৫০ টাকা।
  • সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি ১০৩৫০ টাকা। 
৬৪ পেজের ই পাসপোর্টের পাঁচ বছরের মেয়াদে করলে পড়বে
  • রেগুলার ডেলিভারি খরচ হবে ৬৩২৫
  • এক্সপ্রেস ডেলিভারি খরচ হবে ৪৬২৫
  • সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির খরচ হবে ১২০৭৫
ই পাসপোর্ট ৬৪ পেজের ১০ বছরের মেয়াদের খরচ পড়বে 
  • রেগুলার ডেলিভারি খরচ হবে ৮০৫০ টাকা।
  • এক্সপ্রেস ডেলিভারি খরচ হবে ১০৩৫০ টাকা।
  • সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির খরচ হবে ১৩৮০০ টাকা।
তবে আগে ৬৪ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্ট করা যেত এখন ৪৮ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্ট করা যে থাকে। তবে আপনারা চেষ্টা করবেন দশ বছর মেয়াদী ই পাসপোর্ট করার। কারণ পাসপোর্ট করতে প্রায় একই খরচ পড়ে যায় সাথে আপনি আর একটুও খরচ বাড়িয়ে 10 বছরের জন্য যদি করে নেন তাহলে দশ বছরের আগে আর আপনাকে কোন পাসপোর্ট করতে হবে না। 

পাসওয়ার্ড ফরম পূরণ করবেন যেভাবে 

প্রথমে google ক্রমে যে e passport BD লিখে সার্চ দিলে আপনার কাছে একটি ওয়েবসাইট শুরুতেই আসবে সেখানে লেখা থাকবে e passport online registration portal এরপর সেখানে ক্লিক করে ওই ওয়েবসাইটটির ভিতরে যেয়ে Apply online অপশনে ক্লিক করতে হবে
step: 1 
  • পরবর্তীতে লেখা থাকবে are you applying from Bangladesh আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে ফ্রম জমা দিয়ে থাকেন তাহলে yes করবেন আর যদি বাহিরের থেকে দিয়ে থাকেন তাহলে no করবেন। 
  • এরপর পরবর্তী ধাপে লেখা থাকবে Select district of your present address মানে আপনি যেখানে অবস্থান করছেন সেই এড্রেস টি দিয়ে দিবেন। 
  • এরপর রয়েছে Slate the police station nearest to your present address মানে আপনার আশে পাশে যেই পুলিশ স্টেশন রয়েছে সেটা দিয়ে দিবেন।
  • এরপর আপনি continue ক্লিক করবেন।
step: 2 
  • এরপর আপনার ইমেল অ্যাড্রেস চাইলে ইমেইল এড্রেস দিয়ে দিবেন। 
  • এরপর আপনি মানুষ না রোবট ঘরের মতো ওই অপশনটিতে টিক মার দিয়ে দিন।
  • এরপর continue দিন।
step: 3 
  • পরবর্তীতে আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে এ পাসওয়ার্ড আপনার পাসপোর্ট একাউন্টে। সর্বনিম্নে ৬ ক্যারেক্টারের পাসওয়ার্ড হতে হবে। এর মধ্যে কিছু ছোট হাতের a,b,f,t এবং বড় হাতের ,U,O,N, এছাড়াও ওয়ান ডিজিট একটা থাকতে হবে পাসওয়ার্ড এর মধ্যে। 
  • এরপর আপনার নাম হবে এন আই ডি অনুযায়ী। 
  • আবার পরবর্তীতে নামের প্রথম অংশ দিয়ে দিবেন তারপরে নিচেরটাতে নামের শেষের অংশটুকু দিয়ে দিবেন। 
  • আপনি ফ্রম জমা দেওয়ার সময় কিছু কাগজ পাতি সাথে নিয়েই বসবেন যেমন আপনার এনআইডি কার্ড আপনার বাবা-মায়ের এন আইডির কার্ড। আবার যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্ত্রীর এন আই ডি কার্ড বিবাহিত না হয়ে থাকেন তাহলে আপনার সনাক্ত চেনাজানা এক জনার এনআইডি কার্ড ইত্যাদি এই সকল কাগজ পাতি গুলো নিয়ে বসবেন। 
  • তবে নাম দেওয়ার সময় অবশ্যই কোন ড্রট ব্যবহার করবেন না। 
  • এরপর পরবর্তী ধাপে আপনার দেশটি সিলেক্ট করে নিবেন। 
  • এরপর আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে দিবেন 
  • আবারো আপনি রোবট কিনা সেটা যাচাই করার জন্য ওখানে ঘরে এর মত বক্সে টিক মার্ক দিয়ে দিবেন। 
  • পরবর্তীতে create account ক্লিক করবেন। 
  • এরপর আপনার ইমেইল ঠিকানায় একটি বাত্রা যাবে সেখান থেকে পরবর্তী কাজ গুলো করতে হবে।

ইমেইল লগইন করার পর পরবর্তী ধাপ গুলো যা করবেন 

আপনার ফোনে থাকা ইমেইল নামে ব্রাউজারে যে দেখবেন পাসপোর্ট অফিস থেকে একটি ইমেইল এসেছে। এরপর ইমেইলের মধ্যে যে থেকে যেই লিংকটা পাঠিয়েছে ওখানে ক্লিক করতে হবে ক্লিক করলে আবার আপনাকে পাসপোর্ট অফিসের ব্রাউজারে নিয়ে যাবে। এরপর আপনি দেখবেন আপনার অ্যাকাউন্ট সাইন হয়ে গেছে। 
তারপর পরবর্তীতে আবার আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট লগইন করে নিবেন। এরপর সাইন এ ক্লিক করবেন। পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য এপ্লাই নামে অপশনটিতে  ক্লিক করবেন যারা অফিসিয়াল এর জন্য পাসপোর্ট বানাতে চান তারা অফিশিয়াল পাসপোর্টটি সিলেক্ট করবেন আর যারা সাধারণ মানুষ তারা অর্ডিনারি পাসপোর্ট সিলেক্ট করবেন পরে সেফ এন্ড কান্ট্রি ক্লিক করবেন। 

এখানে আপনি নিজের জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে পারবেন আবার অন্যদের জন্য তৈরি করতে পারবেন যদি নিজের জন্য তৈরি করেন তাহলে মাই ফ্ল্যাট নামে অপশনটিতে ক্লিক করবেন। এরপর আপনার লিঙ্কটা সিলেট করবেন। আপনি যদি ছেলে হন তাহলে মিলি এবং মেয়ে হলে ফ্যামিলি  এরপর আপনি যে পেশার সাথে নিয়োজিত সেটি সিলেক্ট করবেন আপনি যদি স্টুডেন্ট হন তাহলে স্টুডেন্ট আর যদি কৃষক বা ব্যবসায়িক হয়ে থাকেন তাহলে সেগুলোই সিলেক্ট করবেন। 

এরপর আপনারা যে যে ধর্মের মানুষ সেটি সিলেক্ট করবেন। এরপর আপনার দেশটি সিলেক্ট করবেন এবং কোন দৃষ্টিকে জন্মগ্রহণ করেছেন পরবর্তীতে সেটিও সিলেট করবেন এরপর আপনার লিংকটি সিলেট করবেন। এরপর আপনার জন্ম নিবন্ধন এর আপনার ডেট এবং সালটা দিয়ে দিবেন। এরপর সিলেট অ্যান্ড বিশেষণ নামে ক্লিক করতে হবে মানে আপনি যে বাংলাদেশের নাগরিক সেটাই জানাতে হবে। এরপর সেভেন কান্ট্রিতে ক্লিক করবেন। 

পরবর্তীতে আপনার পারমিনের বসবাস ঠিকানা দিয়া দিবেন মানে আপনার যেখানে জন্ম স্থান বা জন্ম নিবন্ধন যেই জায়গার নাম দেওয়া আছে। পরবর্তীতে আপনি যদি শহরে থাকেন তাহলে রুম নাম্বার দিয়ে দিবেন রোড। এরপর আপনার পোস্ট অফিস যেখানে সেইটার নাম দিয়ে দিবেন। এরপর পুলিশ স্টেশন মানে আপনার আশেপাশে যে পুলিশ স্টেশন রয়েছে সেটাই নামি দিয়ে দিবেন। 

এরপর আপনার পার্মানেন্ট এড্রেস। এরপর সেভ এন্ড কান্ট্রিতে ক্লিক করতে হবে। পরবর্তীতে আপনার ন্যাশনাল এনআইডি কার্ডের নাম্বার দিয়ে দিবেন। নাম্বার দেওয়া হয়ে গেলে সেভেন কন্টিনিউ তে আওয়ার ক্লিক করুন। 

এরপর আপনার বাবার নাম তার পেশা ন্যাচারালিটি এন আই ডি কার্ডের নাম্বার। পরবর্তীতে গার্জেন ইনফরমেশনে একই ভাবে দিয়ে সেভেন কন্টিনিউতে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনি যদি সিঙ্গেল হয়ে থাকেন তাহলে সিঙ্গেল যদি ম্যারেড হয়ে থাকেন তাহলে মারেড যদি অন্য কিছু হয়ে থাকেন তাহলে সেগুলোই সিলেক্ট করবেন।   

ইমারজেন্সি কনট্রাক

আপনাকে যদি তাড়াতাড়ি কাজের জন্য না পাওয়া যায় তাহলে ইমারজেন্সি কিভাবে যাবে বা কোন মাধ্যমে পাওয়া যাবে সেটি এখানে দিতে হবে। আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্ত্রীর ইনফরমেশন গুলো ও দিয়ে দিতে পারেন ওখানে। 

পরবর্তীতে যেগুলো ইনফরমেশন চেয়েছে সেই সবগুলো ইনফরমেশন পূরণ করে সেভ এন্ড কন্টিনিউতে ক্লিক করতে হবে। পরবর্তীতে আপনি কত বছরের জন্য পাসপোর্ট করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করুন। পরবর্তীতে সেভেন কন্টিনিউতে ক্লিক করুন। 

পাসপোর্টে ফ্রমে যেগুলো ঠিকানা দিলেন তার আশে পাশেই যে পাসপোর্ট অফিস গুলো রয়েছে সেখানেই আপনি যে কোন দিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে যেতে পারেন। এরপর আপনি রেগুলার ডেলিভারি নিবেন না, এক্সপ্রেস ডেলিভারি নিবেন সেটি সিলেক্ট করবেন। 

এরপর সেভেন কন্টিনিউতে ক্লিক করুন। তারপর আপনাকে ফ্রম আবার দেখানো হবে যাতে করে কোন ভুল আছে কিনা সেটি ঠিক করে নিতে পারবেন। এরপর প্রেমেন্ট মেথরে প্রেমেন্ট করতে হবে খরচ সহ। তাহলেই ব্যাস আপনার পাসপোর্ট ফ্রম জমা দেওয়া হয়ে যাবে। 

লেখকের শেষ মন্তব্য 

পাসপোর্ট সম্পর্কে বিষয়বস্তু পড়ে আশা করছি আপনাদের অনেক উপকারে আসতে পারে। কারণ অনেকেই পাসপোর্টে কি কি কাগজ পাতি লাগে বা পাসপোর্ট কিভাবে করতে হয় অনলাইনে এই বিষয়ে গুলো জানে না। 

তার জন্য আজকে আমি এই আর্টিকেলের মধ্যে পাসপোর্ট কিভাবে করতে হয় এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে এসেছি আশা করছি এ পোস্টটি পড়ে আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে এবং অনেক কিছুই জানতে ও শিখতে পেরেছেন। ধন্যবাদ সবাইকে এই পোস্ট টি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পরার জন্য। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url