প্রিয় পাঠক আপনি কি কোমরের ব্যথা সারানোর সহজ কিছু উপায় জানতে চান?
তাহলে আজকের এই আর্টিকেল আপনার জন্য। কারণ আজকের এই আর্টিকেলে কোমরের ব্যথা
সারানোর সহজ কিছু উপায় গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।
কোমরের ব্যথা সারানোর সহজ উপায় গুলো জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই আজকের এই
আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। কারণ আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা
জানতে পারবেন কোমরের ব্যথা সারানোর সহজ কিছু টিপসএন্ড ট্রিকস। তাহলে চলুন আপনার
মূল্যবান সময় নষ্ট না করে শুরু করা যাক।
.
কোমরের ব্যথা কি কি কারনে হয় থাকে
বর্তমান সময়ে অনেক মানুষের জন্য একটি দৈনন্দন সমস্যা হচ্ছে কোমর ব্যথা। কোমার
ব্যাথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কোমর ব্যথার প্রধান কারণ গুলো নিচে উল্লেখ করা
হলো–
ব্যাথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কোমর ব্যথার প্রধান কারণ গুলো নিচে উল্লেখ করা
হলো–
মাংসপেশির টানঃ অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত শারীরিক কার্যকলাপ যেমন ভারী
কিছু তোলা বা দীর্ঘসময় এক ভাবে দাঁড়িয়ে কাজ করলে কোমরের মাংসপিতে টান সৃষ্টি
করতে পারে।
কিছু তোলা বা দীর্ঘসময় এক ভাবে দাঁড়িয়ে কাজ করলে কোমরের মাংসপিতে টান সৃষ্টি
করতে পারে।
অস্বাস্থ্যকর বসার অভ্যাসঃ দীর্ঘ সময় ধরে অস্বাস্থ্যকর ভাবে বসে থাকলে
কোমরে ব্যথা হয়। কারণ অস্বাস্থ্যকর ভাবে বসলে কোমরের ওপর চাপ পড়ে যার ফলে কোমরে
ব্যথার সৃষ্টি হয়। কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে কাজ করার সময় অস্বাস্থ্যকর
ভাবে বসলে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।
কোমরে ব্যথা হয়। কারণ অস্বাস্থ্যকর ভাবে বসলে কোমরের ওপর চাপ পড়ে যার ফলে কোমরে
ব্যথার সৃষ্টি হয়। কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে কাজ করার সময় অস্বাস্থ্যকর
ভাবে বসলে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।
শারীরিক অবস্থানঃ কোমরের মাংসপেশিকে আঘাত করে ভুলভাল ভাবে দাড়ানো বা বসার অভ্যাস
থাকলে।
থাকলে।
বয়স জনিত পরিবর্তনঃ বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের হার ও পেশির পেশির
স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতার কারণে হাড়ের দুর্বলতা
বা ডিস্কের সমস্যা বেশি হয়।
স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতার কারণে হাড়ের দুর্বলতা
বা ডিস্কের সমস্যা বেশি হয়।
অসুস্থতাঃ আর্থ্রাইটিস কোমর ব্যথার কারণ হতে পারে। সংক্রমণ বা প্রদাহের কারণে এ
ধরনের রোগের সাধারণত ব্যাথা হয়ে থাকে।
ধরনের রোগের সাধারণত ব্যাথা হয়ে থাকে।
মানসিক চাপঃ কোমর ব্যথাকে exacerbate করতে পারে মানসিক উদ্বেগ, চাপ ও
স্ট্রেস। শরীরের পেশীর টান বাড়াতে সাহায্য করে মানসিক চাপ।
স্ট্রেস। শরীরের পেশীর টান বাড়াতে সাহায্য করে মানসিক চাপ।
সহজেই কোমরের ব্যথা সারানোর উপায়
কোমর ব্যথা সারানোর সহজ কিছু উপায় রয়েছে। যার মাধ্যমে এই ব্যথা ম্যাজিক এর
মত কমতে পারে। তবে এই ব্যথা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
চিকিৎসা নিতে হবে। সহজে কোমর ব্যথা সারানোর কিছু উপায় হল–
মত কমতে পারে। তবে এই ব্যথা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
চিকিৎসা নিতে হবে। সহজে কোমর ব্যথা সারানোর কিছু উপায় হল–
হালকা গরম সেকঃ কোমরের যে স্থানে ব্যথা আছে সেখানে আপনি হালকা গরম কাপড়ের
সেক দিতে পারেন। একটি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে এ সেক দিতে পারেন। এতে কোমর
ব্যথার যন্ত্রণা কমবে এবং আরাম পাবেন।
সেক দিতে পারেন। একটি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে এ সেক দিতে পারেন। এতে কোমর
ব্যথার যন্ত্রণা কমবে এবং আরাম পাবেন।
তেল মালিশঃ কালোজিরা মেথি রসুন ও সরিষার তেল হালকা গরম করে নিন। এই
তেল হালকা গরম অবস্থায় কোমরের ব্যথাযুক্ত স্থানে ভালোভাবে মালিশ
করুন।
তেল হালকা গরম অবস্থায় কোমরের ব্যথাযুক্ত স্থানে ভালোভাবে মালিশ
করুন।
খাবারঃ আদা কোমরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে পটাশিয়াম। আদার
পটাশিয়াম নার্ভের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আদা খেলে কোমরের ব্যথা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়। হলুদ, লেবু , এলোভেরা খেলে কোমরের ব্যথা কমে।
ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম জাতীয় খাবার খেলে কোমরের ব্যথার থেকে দ্রুত
মুক্তি পাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গুলো হল-দুধ, ঘি,
পনির, ফল শাকসবজি, বাদাম ইত্যাদি খেলে দ্রুত কোমর ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া
যায়।
পটাশিয়াম নার্ভের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আদা খেলে কোমরের ব্যথা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়। হলুদ, লেবু , এলোভেরা খেলে কোমরের ব্যথা কমে।
ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম জাতীয় খাবার খেলে কোমরের ব্যথার থেকে দ্রুত
মুক্তি পাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গুলো হল-দুধ, ঘি,
পনির, ফল শাকসবজি, বাদাম ইত্যাদি খেলে দ্রুত কোমর ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া
যায়।
নিয়মিত ব্যায়াম করাঃ নিয়মিত ব্যায়াম কোমরে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
কোমরের ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে কোমরের ব্যথা দূর হয়।
কোমরের ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে কোমরের ব্যথা দূর হয়।
কোমরের ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট এর নাম কি
যারা কোমর ব্যথায় ভুগছেন তারা অনেকেই কোমর ব্যথা কমানোর ট্যাবলেটের নাম জানতে
চান। বর্তমান এই সময়ে ফার্মেসিতে অনেক ধরনের কোমরের ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট
পাওয়া যায়। অনেকেই আছেন যারা কোমর ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট এর নাম জানেন
না।
চান। বর্তমান এই সময়ে ফার্মেসিতে অনেক ধরনের কোমরের ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট
পাওয়া যায়। অনেকেই আছেন যারা কোমর ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট এর নাম জানেন
না।
যারা কোমরের ব্যথা কমানোর ট্যাবলেটের নাম জানেন না তাদেরকে ট্যাবলেটের নাম
সম্পর্কে জানাবো। তবে এই সকল ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের
পরামর্শ নেওয়া উচিত। এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ট্যাবলেট সেবন করা উচিত।
নিম্নে কিছু ট্যাবলেট এর নাম দেওয়া হলো–
সম্পর্কে জানাবো। তবে এই সকল ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের
পরামর্শ নেওয়া উচিত। এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ট্যাবলেট সেবন করা উচিত।
নিম্নে কিছু ট্যাবলেট এর নাম দেওয়া হলো–
- Naprox (500 mg)
- Nuprafen (500 mg)
- Diproxen (500mg)
- Ecless(500 mg)
- Napro A (500 mg)
- Napryn (500 mg)
- Napro (500 mg)
- Xenapro (500 mg)
- Naspro (500 mg)
বাজারে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা নাশক ট্যাবলেট রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো কোমর
ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম হচ্ছে– ন্যপ্রক্সেন সোডিয়াম ,আইবুপ্রোফেন। যে কোন
ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম হচ্ছে– ন্যপ্রক্সেন সোডিয়াম ,আইবুপ্রোফেন। যে কোন
ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
কোমরের ব্যাথা হলে কি কি রোগের সম্মুখীন হতে হবে
বর্তমান সময়ে কোমর ব্যথা সব বয়সী মানুষেরই হয়ে থাকে। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ
জীবনের কোন না কোন সময় এই ব্যথার শিকার হয়ে থাকেন। কোমর ব্যথা হলে কি কি রোগের
সম্মুখীন হতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হলো–
জীবনের কোন না কোন সময় এই ব্যথার শিকার হয়ে থাকেন। কোমর ব্যথা হলে কি কি রোগের
সম্মুখীন হতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হলো–
কিডনির সংক্রমণ বা পাথরঃ কোমরের নিচের অংশে ব্যথা হতে পারে যা তলপেটে
ছড়িয়ে পড়তে পারে কিডনিতে সংক্রমণ বা পাথরের কারণে। সাধারণত শরীরের একপাশে
কিডনির সম্পর্কিত ব্যথা অনুভূত হয় এর সাথে বিভিন্ন অন্যান্য ধরনের উপসর্গ দেখা
যায় যেমন- ঘন ঘন প্রসব প্রসবের রক্ত বা জ্বর হতে পারে।
ছড়িয়ে পড়তে পারে কিডনিতে সংক্রমণ বা পাথরের কারণে। সাধারণত শরীরের একপাশে
কিডনির সম্পর্কিত ব্যথা অনুভূত হয় এর সাথে বিভিন্ন অন্যান্য ধরনের উপসর্গ দেখা
যায় যেমন- ঘন ঘন প্রসব প্রসবের রক্ত বা জ্বর হতে পারে।
ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনঃ প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব
এবং রক্তাক্ত প্রস্রাব সহ তলপেটে ব্যথা হতে পারে ইউটিআই এর কারণে। এই ব্যথা
বিচরণ করতে পারে নিচের কোমরে।
এবং রক্তাক্ত প্রস্রাব সহ তলপেটে ব্যথা হতে পারে ইউটিআই এর কারণে। এই ব্যথা
বিচরণ করতে পারে নিচের কোমরে।
পেশীর স্ট্রেনঃ কোমর ব্যথার সাধারণ কাজ গুলোর মধ্যে একটি হলো পেশীর স্ট্রেন
বা মচকে যাওয়া। এটি ঘটতে পারে অনপযুক্ত উত্তোলন, হঠাৎ নাড়াচাড়া বা পেছনের পেশী
গুলোর অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে। কোমরের স্থায়ী ব্যাথা সৃষ্টি করতে পারে
পেশীর স্ট্রেন
বা মচকে যাওয়া। এটি ঘটতে পারে অনপযুক্ত উত্তোলন, হঠাৎ নাড়াচাড়া বা পেছনের পেশী
গুলোর অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে। কোমরের স্থায়ী ব্যাথা সৃষ্টি করতে পারে
পেশীর স্ট্রেন
কোমরের ব্যথা সরানোর ব্যায়াম
কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে নিয়মিত কিছু ব্যায়াম
করলে। ব্যায়াম করলে পেশী শক্ত হয় এবং রক্ত চলাচল বাড়ে এবং ব্যথা কমে
যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছেন। প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে ব্যায়াম করলে কমে
যায়। কোমরের ব্যাথা সারানোর কিছু সহজ ব্যায়াম হল–
করলে। ব্যায়াম করলে পেশী শক্ত হয় এবং রক্ত চলাচল বাড়ে এবং ব্যথা কমে
যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছেন। প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে ব্যায়াম করলে কমে
যায়। কোমরের ব্যাথা সারানোর কিছু সহজ ব্যায়াম হল–
পেলভিক টিল্ট ঃ
কোমরের নিচের পেশি মজবুত করে এই ব্যায়াম করলে। এবং ব্যথা দ্রুত কমে যায়।
কিভাবে করবেন–
একটি পাতলা বালিশ দিন পিঠের নিচে।
হাটু ভাঁজ করে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন।
পেট ভেতরে দিকে টানুন যেন পিঠ খাটের সাথে লেগে থাকে।
পাঁচ সেকেন্ড ধরে করুন, তারপর ছেড়ে দিন
এটা ১০ বার করতে হবে।
কোর স্ট্রেনথ ব্যায়ামঃ
পেট আর পিঠের মাঝের পেশি শক্ত করে থাকে। ব্যালেন্স ঠিক রাখে
কিভাবে করবেন–
চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন।
এরপর এক পা তুলে দশ সেকেন্ড রাখুন।
তারপর আরেকবার রাখুন।
দুটো পা একসাথে তুলতে পারবেন। তবে সেটা পরের ধাপে করুন।
ব্রিজ পোজ ঃ
কোমরের নিচের পেশি আর হিপ ফ্লেক্সার শক্ত করে।
কিভাবে করবেন–
পিঠে শুয়ে পড়ুন
ভাঁজ করে রাখুন হাটু, পা খাটো।
ধীরে ধীরে কোমর তুলুন, একটা সেতুর মতো ভঙ্গি নিন।
এরপর পাঁচ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর নামান।
দিনে ৫ থেকে ৭ বার করলেই চলবে।
কোমরের ব্যথা দুই পাশেই হওয়ার কারণ কি
কোমরের ব্যথা দুই পাশে হওয়ার কারণগুলো হলো–
- কিডনির সমস্যা
- মাংসপেশির টান বা আঘাত
- হজম সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক
- নার্ভে চাপ (সায়াটিকা)
- মেয়েদের মাসিকজনিত ব্যথা
- ইউরিনারি ইনফেকশন
- ভুল ভঙ্গি বা বেশি বসে থাকা
- আর্থ্রাইটিস বা বাত রোগ।
কোমরের ব্যথা কমানোর দ্রুত ঘরোয়া উপায়
বর্তমানে এখন অনেকেই কোমরের ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এখন এই সমস্যায় প্রায়ই
ঘরে ঘরেই। বর্তমানে কোমর ব্যথার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। আপনি
যদি কোমর ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে জেনে নিন কোমর ব্যথা কমানোর
দ্রুত ঘরোয়া উপায় গুলো–
ঘরে ঘরেই। বর্তমানে কোমর ব্যথার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। আপনি
যদি কোমর ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে জেনে নিন কোমর ব্যথা কমানোর
দ্রুত ঘরোয়া উপায় গুলো–
মেথি বীজঃ মেথি বীজ এবং গুড়া দুধ একসাথে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এরপর
ব্যথা যুক্ত স্থানে মিশ্রণটি লাগালে অনেকটাই উপকার মিলবে।
ব্যথা যুক্ত স্থানে মিশ্রণটি লাগালে অনেকটাই উপকার মিলবে।
আদাঃ আদা কোমরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে পটাশিয়াম। আদার
পটাশিয়াম নার্ভের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আদা খেলে কোমরের ব্যথা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়।
পটাশিয়াম নার্ভের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আদা খেলে কোমরের ব্যথা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়।
কর্পূরঃ কোমর ব্যথা কমানোর দ্রুত কার্যকর উপায় হচ্ছে কর্পূর। নারকেল
তেলে কর্পূর মিশিয়ে গরম করে নিন। এরপর তেলটি ঠান্ডা করে কোমরে ব্যবহার করুন
কয়েকবার। দেখবেন মুহূর্তেই ব্যথা সেরে যাবে।
তেলে কর্পূর মিশিয়ে গরম করে নিন। এরপর তেলটি ঠান্ডা করে কোমরে ব্যবহার করুন
কয়েকবার। দেখবেন মুহূর্তেই ব্যথা সেরে যাবে।
সরিষার তেল ও রসুনঃ প্রথমে একটি পাত্রে সরিষার তেল ও রসুন ভালো করে ফুটিয়ে নিতে
হবে। তারপর মিশ্রণটি কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। সহনশীল পর্যায়ে তেলটি
এলে কোমরের ব্যথাযুক্ত স্থানে মালিশ করতে হবে। এই তেল ব্যবহার করলে কোমর ব্যথায়
আরাম মিলবে।
হবে। তারপর মিশ্রণটি কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। সহনশীল পর্যায়ে তেলটি
এলে কোমরের ব্যথাযুক্ত স্থানে মালিশ করতে হবে। এই তেল ব্যবহার করলে কোমর ব্যথায়
আরাম মিলবে।
বালিশ ব্যবহারঃ কোমরের ব্যথার জায়গাটিতে একটি বালিশ রেখে তার ওপরে চিত হয়ে
শুয়ে থাকুন। এতে ব্যথাটা অনেকটা কমে আসে। ঘুমের সময়ে এভাবে কোমরের নিচে
বালিশ রাখলে অনেক আরাম পাওয়া যায়
শুয়ে থাকুন। এতে ব্যথাটা অনেকটা কমে আসে। ঘুমের সময়ে এভাবে কোমরের নিচে
বালিশ রাখলে অনেক আরাম পাওয়া যায়
বরফ ব্যবহার করুনঃ বরফের সেক দিলে অনেক ধরনের ব্যাথায় উপকার মিলে। যে
স্থানে ব্যথা রয়েছে সেখানে দুই তিন ঘন্টা পর পর ২০ মিনিট বরফ ধরে রাখুন।
এতে ব্যথা অনেক কমে আসবে। তবে বেশি সময় ধরে বরফ দেবেন না এতে উল্টা
প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
স্থানে ব্যথা রয়েছে সেখানে দুই তিন ঘন্টা পর পর ২০ মিনিট বরফ ধরে রাখুন।
এতে ব্যথা অনেক কমে আসবে। তবে বেশি সময় ধরে বরফ দেবেন না এতে উল্টা
প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
ওজন নিয়ন্ত্রণঃ সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরী। যদি আপনার
নিয়মিত কোমর ব্যথা হয় তাহলে অবশ্যই ওজনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ওজন বেশি
হলে কোমড় বা পায়ের যন্ত্রণা বাড়তে পারে। সেজন্য অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণ
রাখার চেষ্টা করুন। সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার, ঘুম,
শরীরচর্চা সব দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
নিয়মিত কোমর ব্যথা হয় তাহলে অবশ্যই ওজনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ওজন বেশি
হলে কোমড় বা পায়ের যন্ত্রণা বাড়তে পারে। সেজন্য অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণ
রাখার চেষ্টা করুন। সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার, ঘুম,
শরীরচর্চা সব দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় পাঠক কোমরের ব্যথা সারানোর সহজ কিছু উপায় আপনাদের মাঝে তুলে
ধরার চেষ্টা করলাম। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা খুব সহজেই কোমর
ব্যাথা সারানোর উপায় গুলো জানতে পেরেছেন। যদি আজকের এই আর্টিকেল পড়ে আপনি উপকৃত
হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিবেন। ভালো
থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
ধরার চেষ্টা করলাম। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা খুব সহজেই কোমর
ব্যাথা সারানোর উপায় গুলো জানতে পেরেছেন। যদি আজকের এই আর্টিকেল পড়ে আপনি উপকৃত
হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিবেন। ভালো
থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।