প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কি ফুড ব্লগিং কি ফুড ব্লগিং করে কিভাবে মাসে
হাজার
হাজার টাকা আয় করা যায় এ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? যদি জানতে চেয়ে
থাকেন
তাহলে আজকের আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম কারণ আজকের আর্টিকেলে আমরা
আপনাকে
জানাতে চলেছি ফুড ব্লগিং কি? ফুড ব্লগিং করে কি আয় করা যায়।
হাজার
হাজার টাকা আয় করা যায় এ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? যদি জানতে চেয়ে
থাকেন
তাহলে আজকের আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম কারণ আজকের আর্টিকেলে আমরা
আপনাকে
জানাতে চলেছি ফুড ব্লগিং কি? ফুড ব্লগিং করে কি আয় করা যায়।
ফুড ব্লগিং করে কিভাবে হাজার টাকা আয় করা যায়। ফুড ব্লগিং থেকে কি
ধরনের
ধরনের
আয় হয় বিস্তারিত জানাতে চলেছি আজকের আর্টিকেলে তাই শেষ পর্যন্ত
আজকের
আর্টিকেলটি পড়ে আমার পাশে থাকবেন এবং আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ
পর্যন্ত কিওয়ার্ড গুলো ফলো করে মন দিয়ে পড়ে যাবেন তবে
চলন
বিস্তারিত তথ্যই ফিরে যাওয়া যাক।
ফুড ব্লগিং কি?
ফুড ব্লগিং কি এই সম্পর্কে যদি আমরা অনেকেই জানেন আবার অনেকেই
জানিনা তবে আসলে ফুড ব্লগিং কি এবং ফুড ব্লগিং থেকে কিভাবে ইনকাম করা সম্ভব
বা ইনকাম করা যায়। ফুড ব্লগিং মূলত হচ্ছে খাবার নিয়েই লেখালেখি অথবা
অনলাইনে ভিডিওর মাধ্যমে আর্নিং করা অর্থাৎ আমরা
জানিনা তবে আসলে ফুড ব্লগিং কি এবং ফুড ব্লগিং থেকে কিভাবে ইনকাম করা সম্ভব
বা ইনকাম করা যায়। ফুড ব্লগিং মূলত হচ্ছে খাবার নিয়েই লেখালেখি অথবা
অনলাইনে ভিডিওর মাধ্যমে আর্নিং করা অর্থাৎ আমরা
যদি সহজ ভাবে বুঝতে যাই তাহলে আমরা যে রান্নাবান্না করে থাকি সেই রান্নার
ভিডিও তৈরি করে এডিট মডিফাই করে সেগুলোই মূলত অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে ছাড়া
হয়ে থাকে আর সেখান থেকে মাসে ভালো টাকা পরিমাণ আর্নিং করা যায়। ফুড
ব্লগিং সম্পর্কিত সকল তথ্য অনলাইন প্লাটফর্মে ছাড়া হয়ে থাকে হতে পারে আপনি
নিত্যনতুন আপনার বাড়ির তৈরি করা সকল রান্না বান্নার ভিডিও তৈরি করে সে
প্লাটফর্মটিতে পাবলিশ করলেন।
ভিডিও তৈরি করে এডিট মডিফাই করে সেগুলোই মূলত অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে ছাড়া
হয়ে থাকে আর সেখান থেকে মাসে ভালো টাকা পরিমাণ আর্নিং করা যায়। ফুড
ব্লগিং সম্পর্কিত সকল তথ্য অনলাইন প্লাটফর্মে ছাড়া হয়ে থাকে হতে পারে আপনি
নিত্যনতুন আপনার বাড়ির তৈরি করা সকল রান্না বান্নার ভিডিও তৈরি করে সে
প্লাটফর্মটিতে পাবলিশ করলেন।
ব্লগিং কী?
এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে লেখালেখি করার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে
থেকে আরনিং করতে পারবেন তবে ঘরে বসে থেকে যে আর্নিং করতে পারবেন
বিষয়টা এমনও না আপনি চাইলে যেকোনো প্রান্ত থেকে লেখালেখির মাধ্যমে
আর্নিং করতে পারবেন। ব্লগের মূলত আপনাকে শুরু অবস্থায় একটি
ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে যে ওয়েব সাইটে নিত্যনতুন বিভিন্ন কনটেন্ট
এবং
আর্টিকেল পাবলিশ করার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
ব্লগিং হচ্ছে এমন একটি বিষয় যেখানে আপনি প্রতিদিন নিত্যনতুন বিভিন্ন
লেখালেখির মাধ্যমেও আর্নিং করতে পারেন প্রতি মাসে। আপনি চাইলে
আপনার ইচ্ছামত নিত্য নতুন মন মত যে কোন একটি ট্রফিক নিয়েই আর্টিকেল
লিখতে পারবেন।
যেমন হতে পারে খাবারের কোন বিষয় চিকিৎসা অথবা ওষুধ নিয়ে কোন বিষয়
বা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো অথবা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
এসব ট্রফিক গুলোর মধ্যে যেকোন একটি ট্রপিক নিয়ে আপনি লেখালেখি করতে
পারবেন প্রতিদিন তাই আমার মতে মেয়েদের জন্য এই আর্নিং
প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই ভালো চাইলেই আপনি এটা ঘরে বসে থেকেই
করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি চাইলে নিজের ইচ্ছা মত বিভিন্ন আর্টিকেল লিখতে পারেন
যেমন আজকে সারাদিন আপনি কি করেছেন কোথায় ঘুরলেন অথবা আপনি আজকে কি
কি পড়াশোনা করেছেন এই সব গুলো ট্রপিক ও শেয়ার করার মাধ্যমেও আরনিং
করতে পারবেন অনাসেই। এক কথায় আমরা যদি বলতে চাই যে ব্লগিং কি তাহলে
আমরা বলব যিনি নিত্য নতুন প্রতিদিন লেখালেখির কাজ করেন এবং নিয়মিত
তার ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করে তাকে মূলত ব্লগার বলা হয়।
থেকে আরনিং করতে পারবেন তবে ঘরে বসে থেকে যে আর্নিং করতে পারবেন
বিষয়টা এমনও না আপনি চাইলে যেকোনো প্রান্ত থেকে লেখালেখির মাধ্যমে
আর্নিং করতে পারবেন। ব্লগের মূলত আপনাকে শুরু অবস্থায় একটি
ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে যে ওয়েব সাইটে নিত্যনতুন বিভিন্ন কনটেন্ট
এবং
ব্লগিং হচ্ছে এমন একটি বিষয় যেখানে আপনি প্রতিদিন নিত্যনতুন বিভিন্ন
লেখালেখির মাধ্যমেও আর্নিং করতে পারেন প্রতি মাসে। আপনি চাইলে
আপনার ইচ্ছামত নিত্য নতুন মন মত যে কোন একটি ট্রফিক নিয়েই আর্টিকেল
লিখতে পারবেন।
বা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো অথবা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
এসব ট্রফিক গুলোর মধ্যে যেকোন একটি ট্রপিক নিয়ে আপনি লেখালেখি করতে
পারবেন প্রতিদিন তাই আমার মতে মেয়েদের জন্য এই আর্নিং
প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই ভালো চাইলেই আপনি এটা ঘরে বসে থেকেই
করতে পারবেন।
যেমন আজকে সারাদিন আপনি কি করেছেন কোথায় ঘুরলেন অথবা আপনি আজকে কি
কি পড়াশোনা করেছেন এই সব গুলো ট্রপিক ও শেয়ার করার মাধ্যমেও আরনিং
করতে পারবেন অনাসেই। এক কথায় আমরা যদি বলতে চাই যে ব্লগিং কি তাহলে
আমরা বলব যিনি নিত্য নতুন প্রতিদিন লেখালেখির কাজ করেন এবং নিয়মিত
তার ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করে তাকে মূলত ব্লগার বলা হয়।
ফুড ব্লগিং করে কি আয় করা যায়?
অনেকেই হয়তো ফুড ব্লগিং করে আয় করতে চাই তবে ফুড ব্লগিং করে কি আয় করা
যায় এটি অনেকেই সঠিক তথ্য বা সঠিক ধারণা না পাওয়ার কারণে ফুড ব্লগিং করার
সাহস পায় না। তবে আপনি যদি ফুড ব্লগিং করতে চান তবে নির্দ্বিধায় আপনিও ফুড
ব্লগিং এখন থেকেই শুরু করতে পারেন কারণ ফুড ব্লগিং করে আয় করা
যায়
আমরা হয়তো ফেসবুকে অনেকেই দেখে থাকি যারা ফুড ব্লগিং করে মাসের লক্ষাধিক
টাকা পর্যন্ত অনায়াসেই আয় করে থাকে যদিও এর পিছনে অবশ্যই পরিশ্রম এবং সময়
লেগেছে তবে আপনিও যদি ধৈর্য ধরে তাদের মত পরিশ্রম করে যেতে পারেন তাহলে
ইনশাল্লাহ আপনি একদিন তাদের মতোই সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন আশা
করছি।
তবে শুধু ফুড ব্লগিংই না আপনি চাইলে ফুড ব্লগিং এর পাশাপাশি অন্যান্য ব্লগ
করতে পারেন যেমন আজকে কোথায় ঘুরলেন আজকে সারাদিন কি করলেন বা কোথায় মার্কেট
করতে যাচ্ছেন এ বিষয় গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপনা করতে পারেন
দর্শকদের মাঝে।
তবে ফুড ব্লগিং অথবা ব্লগিং করার আগে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি
যেটাই করবেন না কোন সেটি অবশ্যই সাজিয়ে গুছিয়ে এডিট মডিফাই করে সেটি ছাড়া
আর এতে করে আপনার ভিউসরা বাড়বে এবং ভিজিটর বাড়বে।
এতে করে আপনি খুব দ্রুতই সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন। এছাড়াও আপনি যদি
আজকের আর্টিকেলের এই কিওয়ার্ডটি পড়েও যদি আপনার মনে কোনরকম দ্বিধা থাকে
তাহলে অবশ্যই আপনি youtube সহ ফেসবুকেও কিন্তু সার্চ দিয়ে জেনে নিতে পারেন
ফুড ব্লগিং করে আয় করা যায় কিনা। তাহলে আশা করছি আপনার কাজের প্রতি উৎসাহটা
বাড়বে এবং আপনি ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে পারবেন।
যায় এটি অনেকেই সঠিক তথ্য বা সঠিক ধারণা না পাওয়ার কারণে ফুড ব্লগিং করার
সাহস পায় না। তবে আপনি যদি ফুড ব্লগিং করতে চান তবে নির্দ্বিধায় আপনিও ফুড
ব্লগিং এখন থেকেই শুরু করতে পারেন কারণ ফুড ব্লগিং করে আয় করা
যায়
টাকা পর্যন্ত অনায়াসেই আয় করে থাকে যদিও এর পিছনে অবশ্যই পরিশ্রম এবং সময়
লেগেছে তবে আপনিও যদি ধৈর্য ধরে তাদের মত পরিশ্রম করে যেতে পারেন তাহলে
ইনশাল্লাহ আপনি একদিন তাদের মতোই সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন আশা
করছি।
করতে পারেন যেমন আজকে কোথায় ঘুরলেন আজকে সারাদিন কি করলেন বা কোথায় মার্কেট
করতে যাচ্ছেন এ বিষয় গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপনা করতে পারেন
দর্শকদের মাঝে।
যেটাই করবেন না কোন সেটি অবশ্যই সাজিয়ে গুছিয়ে এডিট মডিফাই করে সেটি ছাড়া
আর এতে করে আপনার ভিউসরা বাড়বে এবং ভিজিটর বাড়বে।
আজকের আর্টিকেলের এই কিওয়ার্ডটি পড়েও যদি আপনার মনে কোনরকম দ্বিধা থাকে
তাহলে অবশ্যই আপনি youtube সহ ফেসবুকেও কিন্তু সার্চ দিয়ে জেনে নিতে পারেন
ফুড ব্লগিং করে আয় করা যায় কিনা। তাহলে আশা করছি আপনার কাজের প্রতি উৎসাহটা
বাড়বে এবং আপনি ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে পারবেন।
ফুড ব্লগিং করে কিভাবে হাজার হাজার টাকা আয় করা যায়
ফুড ব্লগিং করে অনেকেই আয় করে থাকছে এবং আপনি চাইলে আপনিও আয় করতে
পারবেন অন্যদের মত। ফুড ব্লগিং করে মূলত ফুড সম্পর্কিত বিষয় নিয়েই
আপনাকে বিভিন্ন রকম ভিডিও অথবা আজকের লিখে পাবলিশ করতে হবে আপনি যদি
ফুড ব্লগের ওয়েবসাইটে করতে চান তাহলে সেটিও করতে পারবেন আবার আপনি যদি
চান ফেসবুকে করবেন তাহলে ফুড ভ্লগ করতে পারেন। তবে একটি কথা অবশ্যই মনে
রাখবেন ফুড ভ্লগ এবং ফুড ব্লগিং সম্পন্ন আলাদা।
ফুড ব্লগিং মূলত লেখালেখির কাজ এবং ফুড ভ্লগ ভিডিওর কাজ। ফুড ব্লগিং
এর লেখালেখি করে হয়তো আপনি বিভিন্ন রান্না টিপস থেকে শুরু করে কিভাবে
মাছ রান্না করলে স্বাদ লাগবে অথবা কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করতে হবে এই
বিষয় গুলো লেখালেখি করে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে আয় করতে পারেন
অ্যাডসেন্স পাওয়ার মাধ্যমে গুগল থেকে।
আর যদি আপনি ফুড ব্লগ করেন তাহলে সেটিও সেম তবে এটি লেখালেখির কাজ আর
সেটি ভিডিওর কাজ অর্থাৎ আপনি কি দিয়ে রান্না করছেন বা মাছ অথবা মাংস
কিভাবে রান্না করলে আরো স্বাদ বাড়বে অথবা আজকে আপনি বাসায় কি রান্না
করলেন এই সম্পর্কিতই রান্নার ভিডিও গুলো তৈরি করে এডিট মডিফাই করে
সুন্দর করে উপস্থাপনা করে আপনার ফেসবুক পেজে পাবলিশ করতে
পারেন।
আর আপনি যখনই ফেসবুক পেজ তৈরি করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে মনিটাইজেশন
পেতে হবে মনিটাইজেশন পাওয়ার মাধ্যমে মূলত আপনি অন্যদের মতোই মাসে
সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ১ লাখ এর উপরেও ইনকাম করতে পারবেন। তবে একটি কথা মনে
রাখবেন আপনি যদি ফুড ব্লগিং নিয়ে আর্টিকেল লিখেন তাহলে সেই
আর্টিকেলটার এসএইউ হবে সবচেয়ে মূল এবং
আপনার আর্টিকেলের পারফরমেন্স এবং ভিউ নির্ভর করবে আর আপনি যদি ফুড
ব্লগ করতে চান তাহলে সেই ভ্লগের এডিটিং তাই হবে আপনার সবথেকে বেশি
জনপ্রিয় কারণ আপনি যদি ভালো করে এডিটিং করতে পারেন তাহলে এটি কম বেশি
সবাই অনার্সেই দেখে থাকবে। তাই এভাবে যদি আপনি চেষ্টা করে যান তাহলে
আপনি অন্যদের মত হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
পারবেন অন্যদের মত। ফুড ব্লগিং করে মূলত ফুড সম্পর্কিত বিষয় নিয়েই
আপনাকে বিভিন্ন রকম ভিডিও অথবা আজকের লিখে পাবলিশ করতে হবে আপনি যদি
ফুড ব্লগের ওয়েবসাইটে করতে চান তাহলে সেটিও করতে পারবেন আবার আপনি যদি
চান ফেসবুকে করবেন তাহলে ফুড ভ্লগ করতে পারেন। তবে একটি কথা অবশ্যই মনে
রাখবেন ফুড ভ্লগ এবং ফুড ব্লগিং সম্পন্ন আলাদা।
এর লেখালেখি করে হয়তো আপনি বিভিন্ন রান্না টিপস থেকে শুরু করে কিভাবে
মাছ রান্না করলে স্বাদ লাগবে অথবা কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করতে হবে এই
বিষয় গুলো লেখালেখি করে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে আয় করতে পারেন
অ্যাডসেন্স পাওয়ার মাধ্যমে গুগল থেকে।
সেটি ভিডিওর কাজ অর্থাৎ আপনি কি দিয়ে রান্না করছেন বা মাছ অথবা মাংস
কিভাবে রান্না করলে আরো স্বাদ বাড়বে অথবা আজকে আপনি বাসায় কি রান্না
করলেন এই সম্পর্কিতই রান্নার ভিডিও গুলো তৈরি করে এডিট মডিফাই করে
সুন্দর করে উপস্থাপনা করে আপনার ফেসবুক পেজে পাবলিশ করতে
পারেন।
পেতে হবে মনিটাইজেশন পাওয়ার মাধ্যমে মূলত আপনি অন্যদের মতোই মাসে
সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ১ লাখ এর উপরেও ইনকাম করতে পারবেন। তবে একটি কথা মনে
রাখবেন আপনি যদি ফুড ব্লগিং নিয়ে আর্টিকেল লিখেন তাহলে সেই
আর্টিকেলটার এসএইউ হবে সবচেয়ে মূল এবং
ব্লগ করতে চান তাহলে সেই ভ্লগের এডিটিং তাই হবে আপনার সবথেকে বেশি
জনপ্রিয় কারণ আপনি যদি ভালো করে এডিটিং করতে পারেন তাহলে এটি কম বেশি
সবাই অনার্সেই দেখে থাকবে। তাই এভাবে যদি আপনি চেষ্টা করে যান তাহলে
আপনি অন্যদের মত হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ব্লগ থেকে কি ধরনের আয় হয় passive income
ব্লগ মূলত একটি প্যাসিব ইনকাম সাইট যেহেতু ব্লগে লেখালেখি করতে হয় সে
ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ পাসিব ইনকাম তবে এই প্যাসিব ইনকাম হাতে
আসার আগে আপনাকে অনেক পরিশ্রম এবং অনেক ভদ্র সহকারে কাজ করে যেতে হবে
তবে আপনি যখন সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন অর্থাৎ সোনার হরিণটি হাতে
পেয়ে যাবেন তখন আপনি অনার্সেই কোনরকম পরিশ্রম ছাড়াও ইনকাম করতে
পারবেন পাসিব ইনকামটা মূলত হচ্ছে আপনি যদি প্রতিদিন কাজ করেন
এবং
যদি প্রতিদিন ৮ ডলার অথবা ১০ ডলার আসে পরবর্তীতে আপনি যদি পরে দিন
অসুস্থতার কারণে কাজে বসতে নাও পারেন তবুও আপনার চার থেকে পাঁচ ডলার
অনার্সেই এসে থাকবে বা তারও বেশি আসবে। যদিও এটি অনলাইন ইনকাম কখনো
বেশি আসবে কখনো কম আসবে এটি স্বাভাবিক তবে এটা নিয়ে কখনোই ঘাবড়ানোর
প্রয়োজন নেই। আপনাকে একটি কথাই মাথায় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনি এখানে
ইনকাম করতে এসেছেন।
ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ পাসিব ইনকাম তবে এই প্যাসিব ইনকাম হাতে
আসার আগে আপনাকে অনেক পরিশ্রম এবং অনেক ভদ্র সহকারে কাজ করে যেতে হবে
তবে আপনি যখন সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন অর্থাৎ সোনার হরিণটি হাতে
পেয়ে যাবেন তখন আপনি অনার্সেই কোনরকম পরিশ্রম ছাড়াও ইনকাম করতে
পারবেন পাসিব ইনকামটা মূলত হচ্ছে আপনি যদি প্রতিদিন কাজ করেন
এবং
অসুস্থতার কারণে কাজে বসতে নাও পারেন তবুও আপনার চার থেকে পাঁচ ডলার
অনার্সেই এসে থাকবে বা তারও বেশি আসবে। যদিও এটি অনলাইন ইনকাম কখনো
বেশি আসবে কখনো কম আসবে এটি স্বাভাবিক তবে এটা নিয়ে কখনোই ঘাবড়ানোর
প্রয়োজন নেই। আপনাকে একটি কথাই মাথায় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনি এখানে
ইনকাম করতে এসেছেন।
ফুড ব্লগিং করে কিভাবে হাজার হাজার টাকা আয় করা যায়
ফুড ব্লগিং করে অনেকেই আয় করে থাকছে এবং আপনি চাইলে আপনিও আয় করতে পারবেন
অন্যদের মত। ফুড ব্লগিং করে মূলত ফুড সম্পর্কিত বিষয় নিয়েই আপনাকে বিভিন্ন
রকম ভিডিও অথবা আজকের লিখে পাবলিশ করতে হবে আপনি যদি ফুড ব্লগের ওয়েবসাইটে
করতে চান তাহলে সেটিও করতে পারবেন আবার আপনি যদি চান ফেসবুকে করবেন তাহলে ফুড
ভ্লগ করতে পারেন। তবে একটি কথা অবশ্যই মনে রাখবেন ফুড ভ্লগ এবং ফুড ব্লগিং
সম্পন্ন আলাদা।
অন্যদের মত। ফুড ব্লগিং করে মূলত ফুড সম্পর্কিত বিষয় নিয়েই আপনাকে বিভিন্ন
রকম ভিডিও অথবা আজকের লিখে পাবলিশ করতে হবে আপনি যদি ফুড ব্লগের ওয়েবসাইটে
করতে চান তাহলে সেটিও করতে পারবেন আবার আপনি যদি চান ফেসবুকে করবেন তাহলে ফুড
ভ্লগ করতে পারেন। তবে একটি কথা অবশ্যই মনে রাখবেন ফুড ভ্লগ এবং ফুড ব্লগিং
সম্পন্ন আলাদা।
ফুড ব্লগিং মূলত লেখালেখির কাজ এবং ফুড ভ্লগ ভিডিওর কাজ। ফুড ব্লগিং এর
লেখালেখি করে হয়তো আপনি বিভিন্ন রান্না টিপস থেকে শুরু করে কিভাবে মাছ
রান্না করলে স্বাদ লাগবে অথবা কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করতে হবে এই বিষয়
গুলো লেখালেখি করে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে আয় করতে পারেন অ্যাডসেন্স
পাওয়ার মাধ্যমে গুগল থেকে। আর যদি আপনি ফুড ব্লগ করেন তাহলে সেটিও সেম তবে
এটি লেখালেখির কাজ আর সেটি ভিডিওর কাজ অর্থাৎ
লেখালেখি করে হয়তো আপনি বিভিন্ন রান্না টিপস থেকে শুরু করে কিভাবে মাছ
রান্না করলে স্বাদ লাগবে অথবা কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করতে হবে এই বিষয়
গুলো লেখালেখি করে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে আয় করতে পারেন অ্যাডসেন্স
পাওয়ার মাধ্যমে গুগল থেকে। আর যদি আপনি ফুড ব্লগ করেন তাহলে সেটিও সেম তবে
এটি লেখালেখির কাজ আর সেটি ভিডিওর কাজ অর্থাৎ
আরোও পড়ুনঃ
আপনি কি দিয়ে রান্না করছেন বা মাছ অথবা মাংস কিভাবে রান্না করলে আরো স্বাদ
বাড়বে অথবা আজকে আপনি বাসায় কি রান্না করলেন এই সম্পর্কিতই রান্নার ভিডিও
গুলো তৈরি করে এডিট মডিফাই করে সুন্দর করে উপস্থাপনা করে আপনার ফেসবুক পেজে
পাবলিশ করতে পারেন।
বাড়বে অথবা আজকে আপনি বাসায় কি রান্না করলেন এই সম্পর্কিতই রান্নার ভিডিও
গুলো তৈরি করে এডিট মডিফাই করে সুন্দর করে উপস্থাপনা করে আপনার ফেসবুক পেজে
পাবলিশ করতে পারেন।
আর আপনি যখনই ফেসবুক পেজ তৈরি করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে মনিটাইজেশন পেতে হবে
মনিটাইজেশন পাওয়ার মাধ্যমে মূলত আপনি অন্যদের মতোই মাসে সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ১
লাখ এর উপরেও ইনকাম করতে পারবেন। তবে একটি কথা মনে রাখবেন আপনি যদি ফুড
ব্লগিং নিয়ে আর্টিকেল লিখেন তাহলে সেই আর্টিকেলটার এসএইউ হবে সবচেয়ে মূল
এবং
মনিটাইজেশন পাওয়ার মাধ্যমে মূলত আপনি অন্যদের মতোই মাসে সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ১
লাখ এর উপরেও ইনকাম করতে পারবেন। তবে একটি কথা মনে রাখবেন আপনি যদি ফুড
ব্লগিং নিয়ে আর্টিকেল লিখেন তাহলে সেই আর্টিকেলটার এসএইউ হবে সবচেয়ে মূল
এবং
আপনার আর্টিকেলের পারফরমেন্স এবং ভিউ নির্ভর করবে আর আপনি যদি ফুড ব্লগ করতে
চান তাহলে সেই ভ্লগের এডিটিং তাই হবে আপনার সবথেকে বেশি জনপ্রিয় কারণ আপনি
যদি ভালো করে এডিটিং করতে পারেন তাহলে এটি কম বেশি সবাই অনার্সেই দেখে থাকবে।
তাই এভাবে যদি আপনি চেষ্টা করে যান তাহলে আপনি অন্যদের মত হাজার হাজার টাকা
ইনকাম করতে পারবেন।
চান তাহলে সেই ভ্লগের এডিটিং তাই হবে আপনার সবথেকে বেশি জনপ্রিয় কারণ আপনি
যদি ভালো করে এডিটিং করতে পারেন তাহলে এটি কম বেশি সবাই অনার্সেই দেখে থাকবে।
তাই এভাবে যদি আপনি চেষ্টা করে যান তাহলে আপনি অন্যদের মত হাজার হাজার টাকা
ইনকাম করতে পারবেন।
ব্লগ থেকে কি ধরনের আয় হয় passive income
ব্লগ মূলত একটি প্যাসিব ইনকাম সাইট যেহেতু ব্লগে লেখালেখি করতে হয় সে
ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ পাসিব ইনকাম তবে এই প্যাসিব ইনকাম হাতে আসার আগে
আপনাকে অনেক পরিশ্রম এবং অনেক ভদ্র সহকারে কাজ করে যেতে হবে তবে আপনি যখন
সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন অর্থাৎ সোনার হরিণটি হাতে পেয়ে যাবেন তখন আপনি
অনার্সেই কোনরকম পরিশ্রম ছাড়াও ইনকাম করতে পারবেন পাসিব ইনকামটা মূলত হচ্ছে
আপনি যদি প্রতিদিন কাজ করেন এবং
ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ পাসিব ইনকাম তবে এই প্যাসিব ইনকাম হাতে আসার আগে
আপনাকে অনেক পরিশ্রম এবং অনেক ভদ্র সহকারে কাজ করে যেতে হবে তবে আপনি যখন
সফলতার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন অর্থাৎ সোনার হরিণটি হাতে পেয়ে যাবেন তখন আপনি
অনার্সেই কোনরকম পরিশ্রম ছাড়াও ইনকাম করতে পারবেন পাসিব ইনকামটা মূলত হচ্ছে
আপনি যদি প্রতিদিন কাজ করেন এবং
আরোও পড়ুনঃ
যদি প্রতিদিন ৮ ডলার অথবা ১০ ডলার আসে পরবর্তীতে আপনি যদি পরে দিন অসুস্থতার
কারণে কাজে বসতে নাও পারেন তবুও আপনার চার থেকে পাঁচ ডলার অনার্সেই এসে থাকবে
বা তারও বেশি আসবে। যদিও এটি অনলাইন ইনকাম কখনো বেশি আসবে কখনো কম আসবে এটি
স্বাভাবিক তবে এটা নিয়ে কখনোই ঘাবড়ানোর প্রয়োজন নেই। আপনাকে একটি কথাই
মাথায় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনি এখানে ইনকাম করতে এসেছেন।
কারণে কাজে বসতে নাও পারেন তবুও আপনার চার থেকে পাঁচ ডলার অনার্সেই এসে থাকবে
বা তারও বেশি আসবে। যদিও এটি অনলাইন ইনকাম কখনো বেশি আসবে কখনো কম আসবে এটি
স্বাভাবিক তবে এটা নিয়ে কখনোই ঘাবড়ানোর প্রয়োজন নেই। আপনাকে একটি কথাই
মাথায় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনি এখানে ইনকাম করতে এসেছেন।
লেখকের শেষ মন্তব্য
প্রিয় পাঠকেরা, ফুড ব্লগিং কি? ফুড ব্লোগিং করে কিভাবে আয় করা যায় এই
সম্পর্কে উক্ত আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জেনে আশা করছি আপনার ভালো
লেগেছে এবং জানতে পেরেছেন ফুড ব্লগিং করে কিভাবে আয় করবেন এছাড়াও আপনি যদি
ফুড ব্লগিং নিয়ে এখনো কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে সেটি অবশ্যই আমাদের জানাতে
পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলেই ইউটিউবেও সার্চ দিয়ে ফুড ব্লগের সম্পর্কে আরো
বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন এবং
সম্পর্কে উক্ত আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জেনে আশা করছি আপনার ভালো
লেগেছে এবং জানতে পেরেছেন ফুড ব্লগিং করে কিভাবে আয় করবেন এছাড়াও আপনি যদি
ফুড ব্লগিং নিয়ে এখনো কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে সেটি অবশ্যই আমাদের জানাতে
পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলেই ইউটিউবেও সার্চ দিয়ে ফুড ব্লগের সম্পর্কে আরো
বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন এবং
একটি সুদর্শন জ্ঞান অর্জন করে নিতে পারেন ফুড ব্লগিং শুরু করার আগেই। তবে
অবশ্যই এখানে পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন আছে তাই আপনি যখনই ফুড ব্লগিং
শুরু করবেন তখন একটানা ধৈর্য সহকারে কাজ করে যাবেন এতে করে আশা করছি আপনিও
সফলতার চৌরাতে পৌঁছে যাবেন। ধন্যবাদ আর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ অবধি এতক্ষণ
সময় দিয়ে পড়ার জন্য।
অবশ্যই এখানে পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন আছে তাই আপনি যখনই ফুড ব্লগিং
শুরু করবেন তখন একটানা ধৈর্য সহকারে কাজ করে যাবেন এতে করে আশা করছি আপনিও
সফলতার চৌরাতে পৌঁছে যাবেন। ধন্যবাদ আর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ অবধি এতক্ষণ
সময় দিয়ে পড়ার জন্য।