প্রিয় পাঠক বন্ধু আপনি কি পিসি বিল্ড গাইডলাইন বলতে কি বুঝানো
হয়েছে তা জানতে চান? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। কারণ আজকের
এই আর্টিকেলে পিসি বিল্ড গাইডলাইন বলতে কি বুঝানো হয়েছে এই বিষয়ে
বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।
আজকে আর্টিকেলটি যদি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আপনি খুব সহজেই পিসি
বিল্ড গাইডলাইন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন ঝটপট করে শুরু
করা যাক।
.
পিসিতে কি অনলাইন কাজ করা যায়
হ্যাঁ পিসিতে অনলাইনে কাজ করা যায়। মোবাইলের তুলনায় পিসিতে কাজ করা অনেক সহজ
এবং দ্রুততর হয়। কারণ পিসিতে রয়েছে বড় স্ক্রিন, কিবোর্ড, মাউস এবং খুব দ্রুত
ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা থাকে। পিসিতে অনেক সহজেই অনলাইন থেকে কাজ করে
আয় করা যায়। পিসিতে ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে অনলাইন জব বিজনেস মার্কেটিং
সবকিছুই করা যায়।
এবং দ্রুততর হয়। কারণ পিসিতে রয়েছে বড় স্ক্রিন, কিবোর্ড, মাউস এবং খুব দ্রুত
ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা থাকে। পিসিতে অনেক সহজেই অনলাইন থেকে কাজ করে
আয় করা যায়। পিসিতে ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে অনলাইন জব বিজনেস মার্কেটিং
সবকিছুই করা যায়।
অনলাইন কাজের জন্য পিসি কি ল্যাপটপের চেয়েও সেরা হয়ে থাকে
অনলাইন কাজের জন্য আমাদের প্রয়োজন কম্পিউটার বা ল্যাপটপের। আপনি কোন ধরনের কাজ
করছেন তার ওপর নির্ভর করবে পিসি বা ল্যাপটপের কনফিগারেশন কেমন হবে। ভিন্ন
ভিন্ন কাজের জন্য আমাদের ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ও টুলস এর প্রয়োজন হতে পারে।
তাই আপনাকে সর্বপ্রথম নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন সেক্টর নিয়ে কাজ করবেন।
করছেন তার ওপর নির্ভর করবে পিসি বা ল্যাপটপের কনফিগারেশন কেমন হবে। ভিন্ন
ভিন্ন কাজের জন্য আমাদের ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ও টুলস এর প্রয়োজন হতে পারে।
তাই আপনাকে সর্বপ্রথম নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন সেক্টর নিয়ে কাজ করবেন।
ডাটা এন্ট্রি অফিস ওয়ার্ড এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর মত কাজের জন্য
সাধারণত কনফিগারেশনের কম্পিউটার হলেই হবে। পিসি সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও
আপগ্রেডযোগ্য এবং প্রতি ডলারে ভালো পারফরম্যান্স দেয় যার জটিল কাজের জন্য খুবই
ভালো। আর অন্যদিকে ল্যাপটপ হচ্ছে বহনযোগ্য ও নমনীয়।
সাধারণত কনফিগারেশনের কম্পিউটার হলেই হবে। পিসি সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও
আপগ্রেডযোগ্য এবং প্রতি ডলারে ভালো পারফরম্যান্স দেয় যার জটিল কাজের জন্য খুবই
ভালো। আর অন্যদিকে ল্যাপটপ হচ্ছে বহনযোগ্য ও নমনীয়।
ল্যাপটপ যেহেতু বহনযোগ্য তাই দূরে কোথাও গেলেও সাথে করে নিয়ে অনলাইনে কাজ করা
যায়। কিন্তু ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ বেশি ব্যয়বহুল হতে পারে। অনলাইন কাজের
জন্য পিসি এবং ল্যাপটপ দিয়ে কাজ করা যায়। অনলাইন কাজের জন্য কোনটা
সেরা সেটা নির্ভর করে কাজের ধরন বাজেট এবং প্রয়োজন এর উপর।
যায়। কিন্তু ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ বেশি ব্যয়বহুল হতে পারে। অনলাইন কাজের
জন্য পিসি এবং ল্যাপটপ দিয়ে কাজ করা যায়। অনলাইন কাজের জন্য কোনটা
সেরা সেটা নির্ভর করে কাজের ধরন বাজেট এবং প্রয়োজন এর উপর।
পিসি কিনার আগে কি কি বিষয় দেখেশুনে কিনতে হবে
পিসি পূর্ণরূপ হচ্ছে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer)। যখন কেউ কোন
কম্পিউটারকে তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে সেই কম্পিউটারকে মূলত পিসি বলে থাকে।
পিসি কেনার আগে অবশ্যই কয়েকটি মূল্যবান যন্ত্রাংশ দেখে কেনা উচিত। পিসি কেনার
আগে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে যন্ত্র গুলো আপনার প্রয়োজন সেগুলো সব ঠিকঠাক আছে
কিনা। পিসি কেনার আগে কি কি বিষয় দেখে শুনে কিনতে হবে তা নিচে দেওয়া হল—
কম্পিউটারকে তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে সেই কম্পিউটারকে মূলত পিসি বলে থাকে।
পিসি কেনার আগে অবশ্যই কয়েকটি মূল্যবান যন্ত্রাংশ দেখে কেনা উচিত। পিসি কেনার
আগে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে যন্ত্র গুলো আপনার প্রয়োজন সেগুলো সব ঠিকঠাক আছে
কিনা। পিসি কেনার আগে কি কি বিষয় দেখে শুনে কিনতে হবে তা নিচে দেওয়া হল—
- প্রসেসর (Processor)
- র্যাম (RAM)
- হার্ডডিস্ক (Hard disk)
- মাদারবোর্ড (Motherboard)
- গ্রাফিক্স কার্ড (Graphics card)
- অপারেটিং সিস্টেম (Operating system)
- মনিটর (Monitor)
পিসি বিল্ড গাইডলাইন বলতে কি বুঝানো হয়েছে জেনে নিন
পিসি বিল্ড গাইডলাইন বলতে বুঝানো হয়েছে কোন বাজেট কোন কাজে (যেমন:
অফিস, গেমিং, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি) কোন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করলে সেরা
পারফরম্যান্স পাওয়া যায় তার দিকনির্দেশনা কে বোঝানো হয়ে থাকে। সহজ ভাবে বলতে
গেলে পিসি বিল্ড গাইডলাইন একটি পূর্ণ নির্দেশিকা অনুসরণ করে
নিজের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী সেরা কম্পিউটার কেনা যায়। পিসি বিল্ড গাইডলাইন
বলতে কি বুঝানো হয়েছে আসুন জেনে নেই—
অফিস, গেমিং, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি) কোন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করলে সেরা
পারফরম্যান্স পাওয়া যায় তার দিকনির্দেশনা কে বোঝানো হয়ে থাকে। সহজ ভাবে বলতে
গেলে পিসি বিল্ড গাইডলাইন একটি পূর্ণ নির্দেশিকা অনুসরণ করে
নিজের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী সেরা কম্পিউটার কেনা যায়। পিসি বিল্ড গাইডলাইন
বলতে কি বুঝানো হয়েছে আসুন জেনে নেই—
বাজেটঃ
পিসি কেনার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। প্রত্যেকের কমবেশি
বাজেট থাকে সুতরাং আপনিও এর ব্যতিক্রম নয়। ধরুন আপনার বাজেট ৩০,০০০ টাকা
কিন্তু পিসি কেনার সময় দেখা যাচ্ছে আপনার আরও অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচ হাজার
টাকা বেশি লাগছে। ব্র্যান্ডের পিসি কিনলে অবশ্যই আপনাকে একটু বেশি বাজেট থাকতে
হবে
বাজেট থাকে সুতরাং আপনিও এর ব্যতিক্রম নয়। ধরুন আপনার বাজেট ৩০,০০০ টাকা
কিন্তু পিসি কেনার সময় দেখা যাচ্ছে আপনার আরও অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচ হাজার
টাকা বেশি লাগছে। ব্র্যান্ডের পিসি কিনলে অবশ্যই আপনাকে একটু বেশি বাজেট থাকতে
হবে
প্রসেসরঃ
কম্পিউটার ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় প্রসেসরকে। আপনাকে অধিক সতর্কতা অবলম্বন
করতে হবে প্রসেসর কেনার আগে। যেন ভবিষ্যতে আপনাকে প্রসেসর পরিবর্তন নিয়ে
সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। কেনার সময় অবশ্যই দেখে নিতে হবে প্রসেসরটি
কোন দেশের তৈরি, কুলিং ফ্যান সুবিধা ইত্যাদি। বাজারে সাধারণত ইন্টেল,
এএমডি প্রভৃতি প্রসেসর পাওয়া যায়।
করতে হবে প্রসেসর কেনার আগে। যেন ভবিষ্যতে আপনাকে প্রসেসর পরিবর্তন নিয়ে
সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। কেনার সময় অবশ্যই দেখে নিতে হবে প্রসেসরটি
কোন দেশের তৈরি, কুলিং ফ্যান সুবিধা ইত্যাদি। বাজারে সাধারণত ইন্টেল,
এএমডি প্রভৃতি প্রসেসর পাওয়া যায়।
মাদারবোর্ডঃ
মাদারবোর্ড কেনার সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে চিপসেট এবং ব্র্যান্ডের
উপরে।তাছাড়া বাস স্পিড, র্যাম স্লট, বিভিন্ন পোর্ট যেমন—ইউএসবি, পিএসটু
ইত্যাদির ওপর ও গুরুত্ব দিতে হবে।
উপরে।তাছাড়া বাস স্পিড, র্যাম স্লট, বিভিন্ন পোর্ট যেমন—ইউএসবি, পিএসটু
ইত্যাদির ওপর ও গুরুত্ব দিতে হবে।
হার্ডডিস্কঃ
সব ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে হার্ডডিস্কে। স্পিড এর ওপর হার্ডডিক্সের
পারফরমেন্স নির্ভর করে। জচগ (Rotation Per Minute) দ্বারা হার্ডডিস্কের
স্পিড পরিমাপ করা হয়।
পারফরমেন্স নির্ভর করে। জচগ (Rotation Per Minute) দ্বারা হার্ডডিস্কের
স্পিড পরিমাপ করা হয়।
র্যাম ঃ
মেমোরি ডিভাইস কম্পিউটারের প্রধান। র্যামেই অবস্থান করে ডেটা
হার্ডডিস্কে স্থায়ীভাবে রাখার আগ পর্যন্ত। আপনি যত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ
করবেন আপনাকে তত বেশি জার্ম ব্যবহার করতে হবে।
হার্ডডিস্কে স্থায়ীভাবে রাখার আগ পর্যন্ত। আপনি যত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ
করবেন আপনাকে তত বেশি জার্ম ব্যবহার করতে হবে।
সিডিরমড্রাইভঃ
এই সিডিতে পাওয়া যায় সফটওয়্যার গান প্রভৃতি। তাই এটি পিসির অত্যাবশ্যকীয়
একটি ডিভাইস যা ছাড়া পিসিতে পূর্ণতা আসে না।
একটি ডিভাইস যা ছাড়া পিসিতে পূর্ণতা আসে না।
মনিটরঃ
কম্পিউটার প্রধান আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে মনিটর। আমরা যা কিছু ইনপুটে দেই না কেন
তা আমরা সবকিছুই মনিটরের মাধ্যমে দেখতে পাই। মনিটর কেনার সময়
অবশ্যই কালার পারফরমেন্স, ভিউ, ব্রাইটনেস বা রেজ্যুলেশন দেখে নিন।
তা আমরা সবকিছুই মনিটরের মাধ্যমে দেখতে পাই। মনিটর কেনার সময়
অবশ্যই কালার পারফরমেন্স, ভিউ, ব্রাইটনেস বা রেজ্যুলেশন দেখে নিন।
সাউন্ড কার্ডঃ
সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে বর্তমানে মাদারবোর্ডের সঙ্গেই। ভালো
পারফরম্যান্স পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে সাউন্ড কার্ড কিনতে হবে। সাউন্ড কোড
কেনার সময় অবশ্যই একটি ভালো কোম্পানির দেখে কিনতে হবে।
পারফরম্যান্স পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে সাউন্ড কার্ড কিনতে হবে। সাউন্ড কোড
কেনার সময় অবশ্যই একটি ভালো কোম্পানির দেখে কিনতে হবে।
স্পিকারঃ
যারা গান পছন্দ করে তাদের জন্য স্পিকার বাধ্যতামূলক। আপনি যে কোন শব্দ শুনতে
পাবেন স্পিকার মাধ্যমে। স্পিকার কেনার আগে অবশ্য একটু ভালোভাবে দেখে
শুনে কিনবেন এবং সাউন্ড কার্ডের সঙ্গে যেন স্পিকারে সামঞ্জস্য থাকে।
পাবেন স্পিকার মাধ্যমে। স্পিকার কেনার আগে অবশ্য একটু ভালোভাবে দেখে
শুনে কিনবেন এবং সাউন্ড কার্ডের সঙ্গে যেন স্পিকারে সামঞ্জস্য থাকে।
প্রিন্টারঃ
প্রিন্টার হচ্ছে একটি অন্যতম আউটপুট ডিভাইস। পিসিতে একটি প্রয়োজনে যন্ত্রাংশ
হচ্ছে প্রিন্টার। যার মাধ্যমে আমরা পিসিতে কাজগুলো প্রিন্ট দিতে সক্ষম হয়।
হচ্ছে প্রিন্টার। যার মাধ্যমে আমরা পিসিতে কাজগুলো প্রিন্ট দিতে সক্ষম হয়।
সফটওয়্যারঃ
আপনাকে একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে পিসির জন্য। আপনার শখের
পিসিতে যেন ভাইরাস আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারে সেজন্য আপনাকে ব্যবহার করতে
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
পিসিতে যেন ভাইরাস আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারে সেজন্য আপনাকে ব্যবহার করতে
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
গেমিং পিসি তৈরি করার জন্য কি কি প্রয়োজন
গেমিং পিসি তৈরি করার জন্য কি কি প্রয়োজন তা নিম্নে আলোচনা করা হলো–
প্রসেসরঃ
দুই ধরনের গেমিং পিসি বাজারে পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে ইন্টেল এবং অপরটি
হচ্ছে এএমডি (এডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস)। দুই ধরনের প্রসেসর বর্তমান বাংলাদেশ
ডেস্কটপ পিসি তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে প্রসেসর কেনার আগে অবশ্যই ক্লক
স্পিড, ইন্টারফেস, কোর, ক্যাশ, হাইপার থ্রেড ইত্যাদি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
হচ্ছে এএমডি (এডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস)। দুই ধরনের প্রসেসর বর্তমান বাংলাদেশ
ডেস্কটপ পিসি তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে প্রসেসর কেনার আগে অবশ্যই ক্লক
স্পিড, ইন্টারফেস, কোর, ক্যাশ, হাইপার থ্রেড ইত্যাদি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মাদারবোর্ডঃ
একটি প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে মূলত মাদারবোর্ডকে বোঝানো হয়ে থাকে।
যেখানে সংযুক্ত করা হয় প্রসেসর মেমোরি ও এক্সপানশন
হার্ডওয়্যার। বিভিন্নরকমের পোর্ট ও সকেট থাকে এক্সটার্নাল
ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করার জন্য। ভালো মানের মাদারবোর্ড নির্বাচন করতে হবে যাতে
পরবর্তীতে প্রফেসর আপগ্রেড করা যায়।
যেখানে সংযুক্ত করা হয় প্রসেসর মেমোরি ও এক্সপানশন
হার্ডওয়্যার। বিভিন্নরকমের পোর্ট ও সকেট থাকে এক্সটার্নাল
ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করার জন্য। ভালো মানের মাদারবোর্ড নির্বাচন করতে হবে যাতে
পরবর্তীতে প্রফেসর আপগ্রেড করা যায়।
গ্রাফিক্স কার্ডঃ
গ্রাফিক্স কার্ড কম্পিউটার কে শক্তিশালী ও জটিল কাজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
দ্রুত ইমেজ জেনারেট করা এবং তার ডিসপ্লে তে প্রদর্শন করা হচ্ছে গ্রাফিক্স কার্ডের
অন্যতম এবং প্রধান কাজ।
দ্রুত ইমেজ জেনারেট করা এবং তার ডিসপ্লে তে প্রদর্শন করা হচ্ছে গ্রাফিক্স কার্ডের
অন্যতম এবং প্রধান কাজ।
মনিটরঃ
ভালো মানের মনিটর একটি ভালো মানের পিসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গেমিং পিসির
জন্য বিদ্যুৎ শক্তি খরচ কম হয়। গেমিং পিসির জন্য পাতলা বা বেজেললেস,
হাই রেজ্যুলিউশন এর মনিটর নির্বাচন করতে হয়।
জন্য বিদ্যুৎ শক্তি খরচ কম হয়। গেমিং পিসির জন্য পাতলা বা বেজেললেস,
হাই রেজ্যুলিউশন এর মনিটর নির্বাচন করতে হয়।
মাউস ও কিবোর্ডঃ
গেমিং পিসির জন্য অবশ্যই ভালো মানের মাউস এবং ভালো মানের কিবোর্ড দরকার। কিবোর্ড
নিয়ে বেশি কাজ করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বা গেমার মাউস তাই
এই কম্পোনেন্টগুলো ভালো কোয়ালিটির হতে হয়। সাধারণ পিসির থেকে গেমিং পিসির
মাউস এবং কিবোর্ড এর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি হয়।
নিয়ে বেশি কাজ করে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বা গেমার মাউস তাই
এই কম্পোনেন্টগুলো ভালো কোয়ালিটির হতে হয়। সাধারণ পিসির থেকে গেমিং পিসির
মাউস এবং কিবোর্ড এর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি হয়।
সর্বনিম্ন একটা পিসি নিতে কত টাকা প্রয়োজন হয়ে থাকে
বিভিন্ন ম্যাটারিয়ালস বা যন্ত্রাংশ যেমন- প্রসেসর, RAM, হার্ডডিস্ক, মনিটর,
মাদারবোর্ড ইত্যাদির মানের উপর পিসির দাম নির্ভর করে থাকে। বর্তমান এই
আধুনিক যুগে বাজারের ডেক্সটপ পিসি গুলো খুবই সুলভ মূল্যে খুব সহজে পাওয়া
যাচ্ছে। বাজারে সর্বনিম্ন পিসির দাম ১০,০০০-১৫,০০০ টাকার মাঝেও
মোটামুটি ব্যবহারযোগ্য একটি ডেস্কটপ বা পিসি কেনা সম্ভব।
মাদারবোর্ড ইত্যাদির মানের উপর পিসির দাম নির্ভর করে থাকে। বর্তমান এই
আধুনিক যুগে বাজারের ডেক্সটপ পিসি গুলো খুবই সুলভ মূল্যে খুব সহজে পাওয়া
যাচ্ছে। বাজারে সর্বনিম্ন পিসির দাম ১০,০০০-১৫,০০০ টাকার মাঝেও
মোটামুটি ব্যবহারযোগ্য একটি ডেস্কটপ বা পিসি কেনা সম্ভব।
তবে আপনি যদি কোন সাধারণ কাজের জন্য যেমন গেম খেলা মুভি দেখা কিংবা ব্লগিং করার
জন্য পিসি কিনেন তাহলে আপনাকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে পিসি কিনতে হবে। আপনি
যদি আপডেট ম্যাটারিয়াল সমৃদ্ধ পিসি কিনতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার বাজেট সে হারে
বাড়াতে হবে।
জন্য পিসি কিনেন তাহলে আপনাকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে পিসি কিনতে হবে। আপনি
যদি আপডেট ম্যাটারিয়াল সমৃদ্ধ পিসি কিনতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার বাজেট সে হারে
বাড়াতে হবে।
লেখকের শেষ মন্তব্য
প্রিয় পাঠক পিসি বিল্ড গাইডলাইন বলতে কি বুঝানো হয়েছে এ সম্পর্কে আপনারা
বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরেছেন। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি অনেক উপকৃত
হয়েছেন। যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্য আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে
শেয়ার করে দিবেন। এরকম আরো নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে আমার ওয়েবসাইটে নিয়মিত
ভিজিট করবেন ধন্যবাদ।