প্রিয় পাঠক বন্ধু কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা
যায় আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হবে। আপনারা অনেকেই আছেন
যারা কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা যায় এই বিষয়ে
সম্পর্কে জানেন না।
যায় আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হবে। আপনারা অনেকেই আছেন
যারা কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা যায় এই বিষয়ে
সম্পর্কে জানেন না।
তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আজকের এই আর্টিকেল জুড়ে
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন সম্পর্কে সকল টিপস আলোচনা করা হবে। তাহলে
চলুন আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট না করে ঝটপট বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
.
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন কি
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন বলতে বোঝানো হয়ে ফোনে থাকা
অপারেটিং সিস্টেমের সংরক্ষণ। যেমন কম্পিউটারের জন্য থাকে windows10, windows
1 তেমনি অ্যান্ড্রয়েড ফোনেরও বিভিন্ন ভার্সন থাকে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের
বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ভার্শন হচ্ছে–
অপারেটিং সিস্টেমের সংরক্ষণ। যেমন কম্পিউটারের জন্য থাকে windows10, windows
1 তেমনি অ্যান্ড্রয়েড ফোনেরও বিভিন্ন ভার্সন থাকে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের
বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ভার্শন হচ্ছে–
- Android 5
- Android 6
- Android 7
- Android 8
- Android 9
- Android 10
- Android 11
- Android 12
- Android 13
- Android 14
Android 14 এটি বর্তমানে সর্বশেষ ভার্সন। আপনার ফোনে যে এন্ড্রয়েড ভার্সন
রয়েছে তা জানতে হলে প্রথমে আপনাকে Settings যেতে হবে। About Phone বা
ফোন সম্পর্কিত তথ্য অপশনে গিয়ে ক্লিক করতে হবে সেখানে লেখা থাকবে এন্ড্রয়েড
ভার্সন।
রয়েছে তা জানতে হলে প্রথমে আপনাকে Settings যেতে হবে। About Phone বা
ফোন সম্পর্কিত তথ্য অপশনে গিয়ে ক্লিক করতে হবে সেখানে লেখা থাকবে এন্ড্রয়েড
ভার্সন।
কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন করবেন খুব সহজেই
প্রিয় পাঠক বন্ধু আজকের আমাদের আলোচনার মূল বিষয় কিভাবে এন্ড্রয়েড
ফোনের ভার্সন পরিবর্তন করা যায়। আজকে এই আর্টিকেলে এর মাধ্যমে আপনাদের এই
সম্পর্কে জানাবো। অনেকেই আছেন যাদের এই সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার কারণে ফোনের
ভার্সন পরিবর্তন করতে পারি না।
ফোনের ভার্সন পরিবর্তন করা যায়। আজকে এই আর্টিকেলে এর মাধ্যমে আপনাদের এই
সম্পর্কে জানাবো। অনেকেই আছেন যাদের এই সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার কারণে ফোনের
ভার্সন পরিবর্তন করতে পারি না।
আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই কিভাবে এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন
পরিবর্তন করা যায় তা জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক–
পরিবর্তন করা যায় তা জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক–
আরোও পড়ুনঃ অফিসিয়াল ফোন গুলো চেনার উপায়
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন মানে হলো কোন ফোনের সফটওয়্যার আপডেট করা
বা নতুন এন্ড্রয়েড ইন্সটল করা। এটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যেমন=
বা নতুন এন্ড্রয়েড ইন্সটল করা। এটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয় যেমন=
১। অফিসিয়াল (সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায়)ঃ
ফোন কোম্পানি যখন নতুন কোন এন্ড্রয়েড ভার্সন দেয়, আপনি তখন সরাসরি ফোন থেকে
আপডেট করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে Settings অপশনে যেতে হবে।
আপডেট করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে Settings অপশনে যেতে হবে।
Settings অপশনে যাওয়ার পর System বা Software Update অপশনে যেতে হবে।
যদি নতুন আপডেট থেকে থাকে তাহলে ক্লিক করতে হবে Download & Install
তখন ফোন নিজে থেকে ডাউনলোড ও ইন্সটল করে নিবে। এ পদ্ধতিতে কোন ডেটা মুছে যাবে না
আর এটা ১০০% নিরাপদ।
আর এটা ১০০% নিরাপদ।
২। ম্যানুয়ালি (কাস্টম ROM বা ফ্ল্যাশ করে)
যদি আপনার ফোন অফিশিয়ালি ভাবে আপডেট না পায় তাহলে ম্যানুয়ালি নতুন এন্ড্রয়েড
ইন্সটল করা যাবে। এটাকে সাধারণত বলা হয়ে থাকে Custom ROM ফ্ল্যাশ।
ইন্সটল করা যাবে। এটাকে সাধারণত বলা হয়ে থাকে Custom ROM ফ্ল্যাশ।
এর জন্য দরকার একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
আপনার ফোনের জন্য উপযুক্ত ROM (নতুন Android ভার্সন)
প্রয়োজন হবে USB কেবল।
ধাপগুলো সংক্ষেপেঃ
Bootloader Unlock করতে হবে ফোনে।
ইন্সটল করতে হবে TWRP বা অন্য Custom Recovery।
নতুন ROM (যেমন Android 12/13/14) ডাউনলোড করে ফোনে কপি করতে হবে।
ROM ফ্ল্যাশ করতে হবে Recovery মোডে গিয়ে Install থেকে।
নিশ্চয়ই শেষে ফোন রিস্টার্ট দিতে হবে।
তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এই পদ্ধতি ভুল হলে কল চালু না হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ
না হলে চেষ্টা না করায় ভালো।
না হলে চেষ্টা না করায় ভালো।
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন আপডেট দেওয়ার নিয়ম
এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন আপডেট দেওয়ার নিয়ম খুবই সহজ। এর জন্য দরকার
ইন্টারনেট সংযোগ এবং ফোনে যথেষ্ট পরিমাণ চার্জ। তাহলেই খুব সহজেই অ্যান্ড্রয়েড
ফোনের ভার্সন আপডেট দেওয়া যাবে। চলুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন আপডেট
দেওয়ার নিয়ম গুলো জেনে নিন–
ইন্টারনেট সংযোগ এবং ফোনে যথেষ্ট পরিমাণ চার্জ। তাহলেই খুব সহজেই অ্যান্ড্রয়েড
ফোনের ভার্সন আপডেট দেওয়া যাবে। চলুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন আপডেট
দেওয়ার নিয়ম গুলো জেনে নিন–
অ্যান্ড্রয়েড ফোন আপডেট করার জন্য প্রথমে যেটা দরকার সেটা হচ্ছে সজল ইন্টারনেট
কানেকশন।
কানেকশন।
এরপর যেতে হবে ফোনের Settings অপশনে।
তারপর যেতে হবে System / About Phone অপশনে। এটি বিভিন্ন ফোনের ব্র্যান্ড
অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। About Phone → Software Updat অপশন থাকে অনেক
ফোনে। আবার System → Software Update থাকে অনেক ফোনে। যার ফোনে যে অপশন
থাকবে সেই অপশনে যেতে হবে।
অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। About Phone → Software Updat অপশন থাকে অনেক
ফোনে। আবার System → Software Update থাকে অনেক ফোনে। যার ফোনে যে অপশন
থাকবে সেই অপশনে যেতে হবে।
এরপর ক্লিক করতে হবে Check for update। এখানে ক্লিক করলে ফোন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বশেষ এন্ড্রয়েড ভার্সন খুঁজে বের করবে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বশেষ এন্ড্রয়েড ভার্সন খুঁজে বের করবে।
এরপর ডাউনলোড করুন আপডেট। আপডেট পাওয়া গেলে ডাউনলোড শুরু করুন।
nstall করুন। ডাউনলোড শেষ হয়ে গেলে আপনার ফোনে Install now অথবা Restart
& install দেখাবে।
& install দেখাবে।
ইন্সটল দিলে ফোন নিজেই রিস্টার্ট হয়ে নতুন সফটওয়্যার ইন্সটল করে নিবে।
রিস্টার্ট শেষ হলে আপনার ফোনে নতুন এন্ড্রয়েড ভার্সন চলে আসবে।
উপরের নিয়ম অনুযায়ী এন্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন আপডেট দেওয়া যায়। আশাকরি বিষয়টি
ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন
ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন
এন্ড্রয়েড ফোনে কিভাবে ব্রেকআপ দেওয়া যায়
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ব্যাকআপ নেওয়ার অসংখ্য কারণ রয়েছে। ডাটা রিকভারি
ব্যাকআপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হচ্ছে। বিল্ট-ইন ব্যাকআপ অপশন
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ব্যাকআপ নেওয়ার সবচেয়ে সেরা উপায়। যা গুগলের
সার্ভারে ব্যাকআপ নিতে হয়।
ব্যাকআপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হচ্ছে। বিল্ট-ইন ব্যাকআপ অপশন
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ব্যাকআপ নেওয়ার সবচেয়ে সেরা উপায়। যা গুগলের
সার্ভারে ব্যাকআপ নিতে হয়।
গুগল একাউন্টে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ডাটা ব্যাকআপ নিতে প্রথমে আপনাকে প্রবেশ করতে
হবে ফোনের সেটিং অ্যাপে।
হবে ফোনের সেটিং অ্যাপে।
এরপর সিলেক্ট করতে হবে Google।
এরপর ট্যাপ করুন Backup অপশনে।
এরপরে উক্ত মোবাইলে সাইন ইন করলে গুগল একাউন্টে কতটুক স্টোরি খালি আছে তা আপনার
সামনে প্রদর্শিত হবে।
সামনে প্রদর্শিত হবে।
ক্লিক করুন Backup Now অপশনে তৎক্ষণাৎ ব্যাকআপ নেওয়া যাবে।
Backup details নিজে থাকা শিরোনামের নিচে কি কি ডাটা ব্যাকআপ নেওয়া হবে তার
বিবরণ সুন্দর করে দেখতে পারবেন। লিস্টে থাকবে অ্যাপ, ফাইল, সেটিংস, মিডিয়া
ফাইল প্রভৃতি। যদি ফটো ও ভিডিও ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে Photos & Videos
এ প্রবেশ করে Back up & Sync অপশনটি চালু করে দিন।
বিবরণ সুন্দর করে দেখতে পারবেন। লিস্টে থাকবে অ্যাপ, ফাইল, সেটিংস, মিডিয়া
ফাইল প্রভৃতি। যদি ফটো ও ভিডিও ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে Photos & Videos
এ প্রবেশ করে Back up & Sync অপশনটি চালু করে দিন।
এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করার সুবিধা
এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করার সুবিধা নিম্নে দেয়া হলো–
এন্ড্রয়েড ফোনের সুবিধা রয়েছে অনেক। খুব সহজেই এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে
যোগাযোগ করা, যে কোন জায়গার ম্যাপ দেখা, ছবি, দেখা, ভিডিও দেখা গান শোনা থেকে
শুরু করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে যে কোন প্রয়োজনে তথ্য খুঁজে বের করা যায় এই
এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে।
যোগাযোগ করা, যে কোন জায়গার ম্যাপ দেখা, ছবি, দেখা, ভিডিও দেখা গান শোনা থেকে
শুরু করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে যে কোন প্রয়োজনে তথ্য খুঁজে বের করা যায় এই
এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে।
এন্ড্রয়েড ফোনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর
যেকোন স্থানের যোগাযোগ করা যায়। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কারো
সাথে কথা বলা যায় খুব সহজেই। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে বর্তমান এই আধুনিক
যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন ছবি ভিডিও ভয়েস ক্লিপ
আদান প্রদান করা যায়।
যেকোন স্থানের যোগাযোগ করা যায়। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কারো
সাথে কথা বলা যায় খুব সহজেই। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে বর্তমান এই আধুনিক
যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন ছবি ভিডিও ভয়েস ক্লিপ
আদান প্রদান করা যায়।
এন্ড্রয়েড ফোনের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম সুবিধা হচ্ছে
এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উপার্জন করা যায়। এন্ড্রয়েড ফোনের
মাধ্যমে বর্তমান সময়ে ব্লগিং থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট
রাইটিং সহ অনেক মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ
হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করা যা এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে করা যায়।
এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উপার্জন করা যায়। এন্ড্রয়েড ফোনের
মাধ্যমে বর্তমান সময়ে ব্লগিং থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট
রাইটিং সহ অনেক মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ
হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করা যা এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে করা যায়।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুবিধের মধ্যে আর কি হচ্ছে এন্ড্রয়েড ফোন কে ব্যবহার করে
গাড়ির লক বা আনলক করা যায়। এক্ষেত্রে গাড়ির চাবি আলাদা করার প্রয়োজন পড়ে না।
এই ফিচারটি নির্ভর করে গাড়ির মডেল, সংস্করণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর।
গাড়ির লক বা আনলক করা যায়। এক্ষেত্রে গাড়ির চাবি আলাদা করার প্রয়োজন পড়ে না।
এই ফিচারটি নির্ভর করে গাড়ির মডেল, সংস্করণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর।
বর্তমান এই আধুনিক যুগে আমরা যারা অনলাইন মার্কেটপ্লেস এ কাজ করে থাকি তাদের জন্য
ভিডিও এডিটিং করে আপলোড করতে হয়। বর্তমান সময়ে এন্ড্রয়েড ফোনে অনায়াসে এ
কাজগুলো করা যায়।
ভিডিও এডিটিং করে আপলোড করতে হয়। বর্তমান সময়ে এন্ড্রয়েড ফোনে অনায়াসে এ
কাজগুলো করা যায়।
এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি। যেমন বিভিন্ন ধরনের
ইমেইল শেয়ারিং, অফিসিয়াল ডকুমেন্টস, বিভিন্ন প্রোডাক্ট কয় বিক্রয় ইত্যাদি সহ
আরো অনেক ধরনের কাজ আমরা এই এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে খুব সহজে অল্প সময়ের মধ্যে
করে থাকি।
ইমেইল শেয়ারিং, অফিসিয়াল ডকুমেন্টস, বিভিন্ন প্রোডাক্ট কয় বিক্রয় ইত্যাদি সহ
আরো অনেক ধরনের কাজ আমরা এই এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে খুব সহজে অল্প সময়ের মধ্যে
করে থাকি।
বর্তমান এই আধুনিক যুগে আমরা অনেকেই সময়ের অভাবে শপিংমলে গিয়ে শপিং করতে
পারিনা। কিন্তু বর্তমান এই যুগে আমাদের হাতে থাকা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে
আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার করতে পারি এবং খুব সহজেই
ঘরে বসেই পণ্য পেয়ে যেতে পারি।
পারিনা। কিন্তু বর্তমান এই যুগে আমাদের হাতে থাকা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে
আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার করতে পারি এবং খুব সহজেই
ঘরে বসেই পণ্য পেয়ে যেতে পারি।
লেখক এর শেষ মন্তব্য
প্রিয় পাঠক কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা যায় এই
বিষয়ে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যাতে আপনারা খুব সহজে বিষয়টি বুঝতে
পারেন। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের
ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা যায় এ বিষয়ে সকল তথ্য জানতে পেরেছেন। যদি আজকে
আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার
করে দিবেন। ধন্যবাদ।
বিষয়ে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যাতে আপনারা খুব সহজে বিষয়টি বুঝতে
পারেন। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের
ভার্সন পরিবর্তন সহজেই করা যায় এ বিষয়ে সকল তথ্য জানতে পেরেছেন। যদি আজকে
আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার
করে দিবেন। ধন্যবাদ।